পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে সব অনুষ্ঠান
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসব নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ দেশব্যাপী সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে। বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় নতুন কোনো দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বৈশাখী শোভাযাত্রায় মুখোশ পরে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে হাতে বহন বা প্রদর্শন করা যাবে, যদি তা মুখ না ঢাকে। মিছিল শুরুর পর মাঝপথে কাউকে যোগ দিতে দেওয়া হবে না।
নিরাপত্তার স্বার্থে সারা দেশে ফানুস উড়ানো, আতশবাজি, গ্যাস বেলুন ও ভুভুজেলা বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩০০ ফিট এলাকায় মোটরসাইকেল বা কার রেসিংও বন্ধ থাকবে। ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। পহেলা বৈশাখের দিন টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রমনা বটমূলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং, ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে স্থাপন করা হবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার ঠেকাতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। বড় অনুষ্ঠানস্থলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম এবং রমনা লেকে ডুবুরি দল মোতায়েন থাকবে।
সাধারণ দর্শনার্থীদের ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দিয়াশলাই বা লাইটার না আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। শিশুদের সঙ্গে পরিচয় সম্বলিত নোট রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে