Views Bangladesh Logo

নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সমতায় শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ

কার্টেল ওভারের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য খুব বড় ছিল না—১৫ ওভারে ১০৩ রান। দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।

বেভন জ্যাকবসের মারকুটে অর্ধশতকে সহজ জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ড। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ২০ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জিতেছে কিউইরা। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হলো। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল।

রান তাড়ায় নামা নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন শরিফুল। ওভারের দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ বলে কেটেনি ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১) উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান এই বাঁহাতি পেসার। পরের ওভারে মারকুটে টিম রবিনসনকে (১৪ বলে ২৩) বোল্ড করে তৃতীয় উইকেটটিও নেন শরিফুল। এরপর শেখ মেহেদী বোল্ড করেন নিক কেলিকে (১)। পঞ্চম ওভারে মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে এরপর আর কিউইদের বিপদে ফেলতে পারেননি টাইগাররা।

বেভন জ্যাকবস কার্যত একাই ম্যাচ বের করে নিয়ে যান। ৩১ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। ডিন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন। শরিফুল ইসলাম ১৯ রানে ৩ উইকেট এবং শেখ মেহেদী ২০ রানে ১ উইকেট নেন। রিপন মণ্ডল ২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেটে ৮৬ রান থেকে মাত্র ১৬ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। শুরুটা খারাপ ছিল না। তবে সাইফ হাসান (১১ বলে ১৬) বড় শট খেলতে গিয়ে আটকা পড়েন রবিনসনের হাতে। ২১ রানে প্রথম উইকেট পড়ে।

এরপর অধিনায়ক লিটন উড়ন্ত শুরু করলেও পরপর দুই বলে তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন আউট হন। নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হন তানজিদ (১০ বলে ৬)। পরের বলেই বাউন্স বুঝতে না পেরে গোল্ডেন ডাকে ফেরেন পারভেজ। ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

বৃষ্টিবাধায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৫০ রান ছিল বাংলাদেশের। বৃষ্টির পর লিটন দাস আর বেশিদূর এগোতে পারেননি। ১৭ বলে ২৬ রান করে ফেরেন তিনি। ৬৩ রানে ৪ উইকেট হারায় টাইগাররা।

এরপর তাওহীদ হৃদয় হাত খুললেও শামীম হোসেন পাটোয়ারী (৮ বলে ৩) সুবিধা করতে পারেননি। হৃদয় ২৪ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ রান করে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন গোল্ডেন ডাকে ফেরেন। রিশাদ হোসেন রানআউট হন ৪ বলে ৫ রান করে। ৯৫ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর শেখ মেহেদী ৬ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকলেও দল অলআউট হয় ১০২ রানে।

নিউজিল্যান্ডের জস ক্লার্কসন মাত্র ৯ রানে ৩ উইকেট নেন।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ