৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন বিআইএন ব্যবহারের নির্দেশ এনবিআরের
ভ্যাট কমিশনারেট পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্থানান্তরিত ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ লক্ষ্যে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো বিআইএনের আওতায় থাকা সব কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর এ নির্দেশনা জানায়।
এনবিআর বলেছে, করের আওতা বৃদ্ধি, রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং করদাতাদের আরও উন্নত সেবা দিতে ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ করে নতুন কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুনর্গঠনের ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের বিআইএন নতুন অধিক্ষেত্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে শুধু বিআইএনের শেষ চারটি সংখ্যা পরিবর্তন হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট ও বিভাগের পরিচয় বহন করে। তবে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে।
আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন এড়াতে আপাতত পুরোনো ও নতুন—উভয় বিআইএনই কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড ব্যবস্থায় সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে পুরোনো বিআইএন ব্যবহার করে ইতোমধ্যে খোলা ঋণপত্র (এলসি), বিল অব এন্ট্রি, শুল্ক ঘোষণাপত্র এবং অন্যান্য চলমান কাস্টমস কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করা যাবে।
তবে এনবিআর নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানকে পুরোনো বিআইএনের আওতাধীন কার্যক্রম শেষ করে নতুন বিআইএন ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
এনবিআর আরও জানিয়েছে, ৩০ নভেম্বরের পর কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড ব্যবস্থায় পুরোনো বিআইএন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর আমদানি-রপ্তানি–সংক্রান্ত সব কাস্টমস কার্যক্রম শুধুমাত্র নতুন বিআইএন ব্যবহার করেই সম্পন্ন করতে হবে।
রাজস্ব প্রশাসনকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে এবং দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
মতামত দিন