শিগগির সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার বিষয়টি পর্যালোচনা করবে মিয়ানমার: ড. খলিল
প্রত্যাবাসনের যোগ্য আড়াই লাখ রোহিঙ্গার নাম পর্যালোচনা শেষ পর্যায়ে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত বাকি ৫ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গার নাম পর্যালোচনা শিগগির করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে অগ্রগতি হয়েছে দাবি করে ড. খলিল জানান, ২০১৮-২০ সালে ছয় দফায় প্রত্যাবাসনের যোগ্য আট লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। দেশটির কর্তৃপক্ষ তাদের মধ্যে আড়াই লাখ রোহিঙ্গার পর্যালোচনা প্রায় শেষ করে এনেছে। তাদের ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে প্রত্যাবাসনের জন্য চিহ্নিতও করে ফেলেছে।
‘বাকি ৭০ হাজার রোহিঙ্গার নাম ও ছবি নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি ছিল এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বিভ্রান্তি নিরসনে আলোচনা চালিয়ে যাবে’- বলেন তিনি।
উচ্চ প্রতিনিধি জানান, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, তারা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বাকি সাড়ে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গার পর্যালোচনা শেষ করবে।
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফল সম্পর্কে ড. খলিল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে আগামী দুই বছরের জন্য বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনের (বিমসটেক)-এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি বিমসটেককে গতিশীল সংস্থা হিসেবে এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
বিমসটেক সচিবালয় এখন ঢাকায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, একসঙ্গে কাজ করতে পারব’। উচ্চ প্রতিনিধি জানান, বিমসটেক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বহুল আলোচিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করার প্রচেষ্টা চালাবে ঢাকা।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে