Views Bangladesh Logo

মরক্কো ২ - কানাডা ০

মরক্কো-কানাডা ফিফা বিশ্বকাপ: লাইভ স্কোর এবং সর্বশেষ অবস্থা

Sports Desk

ক্রীড়া ডেস্ক

৮২ মিনিট | গোল!  উনাহির জোড়া লক্ষ্যভেদে শেষ আটের পথে মরক্কো
ম্যাচের ৮২ মিনিটে আবারও জালের দেখা পেল মরক্কো। দ্বিতীয়বারের মতো গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন আজেদিন উনাহি। দারুণ এক আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত ফিনিশে কানাডার গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। এই জোড়া গোলে শেষ আটের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে মরক্কো। অন্যদিকে নির্ধারিত সময়ের শেষ ১০ মিনিটে কানাডার সামনে এখন ম্যাচে ফেরাটা কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।




৭১ মিনিট | হাইড্রেশন বিরতি শেষে আবারও শুরু খেলা
হাইড্রেশন বিরতি শেষে আবারও মাঠে গড়িয়েছে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যকার শেষ ষোলোর লড়াই। বাকি রয়েছে নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিটেরও কম। ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা কানাডা এখন সমতাসূচক গোলের মরিয়া খোঁজে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চাইবে। অন্যদিকে মূল্যবান এই লিড ধরে রাখতে রক্ষণে সংগঠিত থেকে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার কৌশল নেবে মরক্কো।



৬৮ মিনিট | হাইড্রেশন ব্রেকে দুই দল, এগিয়ে মরক্কো
হিউস্টনের তীব্র গরমে ম্যাচের ৬৮ মিনিটে আবারও নির্ধারিত হাইড্রেশন বিরতির ঘোষণা দেন রেফারি। দুই কোচও এই বিরতিকে কাজে লাগিয়ে খেলোয়াড়দের কৌশলগত নির্দেশনা দেন। ম্যাচে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা মরক্কো শেষ সময়ে এই লিড ধরে রাখার পরিকল্পনা করছে, অন্যদিকে নির্ধারিত সময়ের আর মাত্র ২০ মিনিটের কিছু বেশি বাকি থাকায় সমতায় ফেরার উপায় খুঁজছে কানাডা।


৬৮ মিনিট | উত্তেজনায় আরও এক হলুদ কার্ড
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ায় আবারও হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন রেফারি। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে শারীরিক লড়াই ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে, ফলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে বারবার কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে  রেফারিকে। সৌফিয়ান রাহিমিকে সাইডলাইনের কাছে ফাউল করার জন্য কনাডার লুক দ্য ফুজেরোল এই কার্ড দেখেন।


৫০ মিনিট | গোল!  উনাহির নিখুঁত ফিনিশে মরক্কোর লিড
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেল মরক্কো। ম্যাচের ৫০ মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণে কানাডার রক্ষণভাগ চিরে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশে জাল খুঁজে নেন আজ্জেদিন উনাহি। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আফ্রিকার দলটি। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে এখন আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে কানাডাকে, আর এই লিড ধরে রাখতে মরক্কো চাইবে রক্ষণে আরও সংগঠিত থাকতে।



৪৬ মিনিট | কোনো পরিবর্তন ছাড়াই শুরু দ্বিতীয়ার্ধ
বিরতি শেষে আবারও মাঠে গড়িয়েছে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যকার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কোনো দলই তাদের একাদশে পরিবর্তন আনেনি। দুই কোচই শুরুর একাদশের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে একই খেলোয়াড়দের নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে ০-০ সমতায় থাকা ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে মরিয়া থাকবে কানাডা ও মরক্কো।


বিরতি | গোলশূন্য প্রথমার্ধে ছয় হলুদ কার্ড দেখল কানাডা-মরক্কো
হিউস্টন স্টেডিয়ামে রেফারি মাইকেল অলিভারের বাঁশির সঙ্গে শেষ হয়েছে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যকার শেষ ষোলোর ম্যাচের নাটকীয় প্রথমার্ধ। স্কোরলাইনে গোলশূন্য অবস্থা থাকলেও মাঠের লড়াই ছিল যথেষ্ট উত্তপ্ত; ৪৫ মিনিটেই দেখা গেছে ছয়টি হলুদ কার্ড।

মরক্কোর আক্রমণভাগের তারকা ইসমাইল সাইবারিকে চোটের কারণে তুলে নিতে বাধ্য হন কোচ, তার জায়গায় মাঠে নামেন সৌফিয়ান রাহিমি। চলতি বিশ্বকাপে তিন গোল করা সাইবারির এই বিদায় মরক্কোর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাহিমি মাঠে নেমে একটি শট নিলেও তা প্রতিহত করেন কানাডার গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো।

প্রথমার্ধের সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় ছিল রেফারির কড়া কার্ড-নীতি। রেদুয়ান হালহালকে দিয়ে শুরু, এরপর একে একে হলুদ কার্ড দেখেন বিলাল এল খানুস এবং আজেদিন উনাহি- তিনজনই মরক্কোর। কানাডার রিচি লারিয়া ও মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির মধ্যে বল দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনায় জড়ান দুই দলের খেলোয়াড়রাই, যার জেরে দুজনই কার্ড দেখেন। এরপর ফাউলের জন্য কানাডার জোনাথন ডেভিডও হলুদ কার্ড দেখলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ছয়ে; মরক্কোর চার ও কানাডার দুই।

একের পর এক ফাউল ও কার্ডের কারণে চতুর্থ  রেফারি প্রথমার্ধে ছয় মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করেন। তবে সেই বাড়তি সময়েও কোনো দল জালের দেখা পায়নি। ফলে ০-০ ব্যবধানেই বিরতিতে যায় দুই দল।



৪৫+৭ মিনিট | চতুর্থ হলুদ কার্ড দেখল মরক্কো
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে আরও একটি হলুদ কার্ড দেখল মরক্কো। মাঝমাঠে কানাডার ডি ফুজেরোলেসকে পেছন থেকে অসতর্ক ট্যাকল করায় এল খান্নুসকে সতর্ক করেন রেফারি মাইকেল অলিভার। ম্যাচজুড়ে বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবলের প্রতিফলন হিসেবে বিরতির আগেই মরক্কোর চার খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখলেন। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে কার্ডধারী ফুটবলারদের বাড়তি সতর্ক হয়ে খেলতে হবে।


৪৫+৬ মিনিট | প্রথমার্ধে যোগ হলো ৬ মিনিট
প্রথমার্ধের নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত ৬ মিনিট যোগ করেছেন রেফারি। ম্যাচে ফাউল, হলুদ কার্ড, হাইড্রেশন বিরতি এবং অন্যান্য কারণে খেলা বন্ধ থাকায় এই সময় যোগ করা হয়েছে। ফলে বিরতির আগে দুই দলের সামনেই রয়েছে গোল করে এগিয়ে যাওয়ার আরেকটি বড় সুযোগ। এখন দেখার বিষয়, অতিরিক্ত সময়ে কোনো দল জালের দেখা পায় কি না।


৪৫ মিনিট | বিরতির আগে আরও এক হলুদ কার্ড মরক্কো
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আবারও হলুদ কার্ড দেখল মরক্কো। মাঝমাঠে কানাডার আহমেদকে পেছন থেকে ফাউল করেন আজেদিন উনাহি। অসতর্ক ও অপ্রয়োজনীয় এই চ্যালেঞ্জের পরপরই রেফারি মাইকেল অলিভার কোনো দ্বিধা না করে তাকে হলুদ কার্ড দেখান। বিরতির ঠিক আগে মরক্কোর এটি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, যা দ্বিতীয়ার্ধে তাদের আরও সতর্ক হয়ে খেলতে বাধ্য করবে।



৪৪ মিনিট | জোনাথন ডেভিডের হলুদ কার্ড, সুযোগ নষ্ট মরক্কোর
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন কানাডার ফরোয়ার্ড জোনাথন ডেভিড। বাম প্রান্তে আক্রমণে ওঠা মরক্কোর খেলোয়াড়কে জার্সি টেনে ফাউল করায় রেফারি কোনো দ্বিধা না করেই তাকে সতর্ক করেন। এই ফাউলের সুবাদে প্রতিপক্ষ একটি ভালো জায়গা থেকে ফ্রি-কিকের সুযোগ পায়। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় মরক্কো। বক্সে পাঠানো ক্রসটি ছিল মানহীন, ফলে সহজেই বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত হয় কানাডার রক্ষণভাগ। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও স্কোরলাইন অপরিবর্তিত রয়েছে।


২৫ মিনিট | ম্যাচে হাইড্রেশন বিরতি
হিউস্টনের তীব্র গরমের কারণে খেলার মাঝে নির্ধারিত হাইড্রেশন বিরতি দিলেন রেফারি। হাইড্রেশন বিরতির সময় দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠের বাইরে গিয়ে পানি পান করে নিজেদের সতেজ করে নেন। একই সঙ্গে কোচরাও এই সুযোগে খেলোয়াড়দের দ্রুত কৌশলগত নির্দেশনা দেন। বিরতি শেষে আবারও শুরু হবে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই।


২০ মিনিট | প্রথম হলুদ কার্ড দেখলেন মরক্কোর ডিফেন্ডার
ম্যাচের ২০ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন মরক্কোর ডিফেন্ডার হালহাল। মাঝমাঠে দেরিতে ট্যাকল করে প্রতিপক্ষের ফরোয়ার্ডকে ফাউল করায় রেফারি তাকে সতর্ক করেন। অসতর্ক এই চ্যালেঞ্জের জন্য ম্যাচের প্রথম বুকিং যায় মরক্কোর নামের পাশে।



১১ মিনিট | কানাডার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট, অল্পের জন্য বাঁচল মরক্কো
ম্যাচের ১১ মিনিটে প্রথম বড় সুযোগটি তৈরি করে কানাডা। দারুণ পাসিংয়ে মরক্কোর রক্ষণভাগ ভেঙে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেলেও শেষ মুহূর্তের শটটি পোস্টের অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। ফলে শুরুতেই বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় মরক্কো। স্কোর এখনও ০-০।



প্রথম মিনিট | কানাডা ও মরক্কোর শেষ ষোলোর লড়াই শুরু
হিউস্টনের মাঠে শুরু হয়েছে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যকার ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। ম্যাচের শুরুতেই দুই দলই বলের দখল নিয়ে নিজেদের ছন্দ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করছে। শুরতেই স্কোর ০-০। এই ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ফ্রান্স অথবা প্যারাগুয়ের বিপক্ষে খেলবে।



বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর প্রথম ম্যাচে মাঠে মরক্কো ও কানাডা
বিশ্বকাপ ফুটবলে আজ থেকে শুরু হচ্ছে শেষ ষোলোর রোমাঞ্চকর লড়াই। রাউন্ড অব সিক্সটিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কো ও আয়োজক দেশ কানাডা। হিউস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টায়।

গত আসরের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো এবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রমাণ করেছে ভালোভাবেই। মরক্কো টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলো ব্রাজিলের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে। দুর্দান্ত গতি আর জমাট রক্ষণভাগ নিয়ে রাউন্ড অব ৩২ এর ম্যাচে শক্তিশালী নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে যায়গা করে নেয় আফ্রিকান লায়নরা।

এই ম্যাচেও ফেভারিট হয়েই মাঠে নামবে সাইবেরি, হাকিমিরা। তবে আলফানসো ডেভিসদের কানাডাকে হালকাভাবে নেয়ার কোনো সুযোগ নেই এই ম্যাচ। ল্যারিনের গোল ক্ষুধা আর আলফানসো ডেভিসের গতি যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরাতে পারে। যদিও দুই দলের চারবারের দেখায় তিন জয় মরক্কোর পাশে, আর একটাতে ড্র করতে পেরেছিল কানাডা।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে মরক্কো
পরিসংখ্যানে বিচার করলে এই ম্যাচে স্পষ্টভাবেই এগিয়ে রয়েছে মরক্কো। বিভিন্ন পরিসংখ্যানভিত্তিক পূর্বাভাসে আফ্রিকার দলটির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ৫৪ শতাংশ, যেখানে কানাডার জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১৯ শতাংশ। অন্যদিকে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দল জয় না পেলে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ, সম্ভাবনার হিসাব বলছে মরক্কোই এই লড়াইয়ে ফেবারিট।

শুধু পরিসংখ্যানই নয়, সাম্প্রতিক মুখোমুখি ইতিহাসও মরক্কোর পক্ষেই কথা বলছে। বিশ্বকাপে দুই দলের সর্বশেষ দেখায় জয় তুলে নিয়েছিল মরক্কো, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে সেই পরাজয়ের স্মৃতি কানাডার ওপর কিছুটা হলেও মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। সব মিলিয়ে পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং মানসিক দিক—সবকিছু বিবেচনায় নিলে ম্যাচের আগে কিছুটা এগিয়েই মাঠে নামবে মরক্কো।

সাম্প্রতিক ফর্ম: ধারাবাহিকতায় মরক্কো, লড়াইয়ে পিছিয়ে কানাডা
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের বিচারে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে মরক্কো। শেষ পাঁচ ম্যাচে একবারও হারেনি আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। এই সময়ে তারা তিনটি ম্যাচে জয় তুলে নেওয়ার পাশাপাশি দুটি ম্যাচ ড্র করেছে। ধারাবাহিক এই পারফরম্যান্স দলের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়িয়েছে, তেমনি নকআউট পর্বেও তাদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অন্যদিকে কানাডাও একেবারে পিছিয়ে নেই। শেষ পাঁচ ম্যাচে তারা দুটি জয়, দুটি ড্র এবং একটি পরাজয় দেখেছে। তবে মরক্কোর তুলনায় তাদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার কিছুটা ঘাটতি চোখে পড়ে। বিশেষ করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা নিয়মিতভাবে ধরে রাখতে পারেনি উত্তর আমেরিকার দলটি।

চলমান বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে মরক্কো। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে শক্তিশালী নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে হারিয়ে তারা শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। শুধু ফল নয়, পুরো ম্যাচে তাদের আধিপত্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। মরক্কো ম্যাচজুড়ে ৮০১টি সফল পাস সম্পন্ন করে বলের দখল ও খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছিল। আক্রমণ ও রক্ষণ; দুই বিভাগেই শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলে তারা প্রমাণ করেছে, এবারের বিশ্বকাপে বড় দলগুলোর জন্যও তারা কঠিন প্রতিপক্ষ হতে পারে।



অভিজ্ঞতা ও গতির সমন্বয়ই কানাডার বড় ভরসা
কানাডার সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর আলফনসো ডেভিসের দলে ফেরা। দীর্ঘদিন চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকার পর শেষ ৩২-এর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ ১৫ মিনিট খেলেন এই তারকা লেফট-ব্যাক। যদিও পুরো ম্যাচ খেলেননি, তবে তার প্রত্যাবর্তন দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। গতি, ড্রিবলিং এবং দুই প্রান্তে সমান দক্ষতায় খেলার সামর্থ্যের কারণে ডেভিস কানাডার আক্রমণ ও রক্ষণ; দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

এছাড়া কানাডার আক্রমণভাগের বড় দায়িত্ব থাকবে অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিও, গোলস্কোরার জোনাথন ডেভিড এবং ফরোয়ার্ড টানি ওলুওয়াসেইয়ের কাঁধে। ইউস্তাকিও মাঝমাঠ থেকে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আক্রমণ সাজানোর কাজ করবেন, আর ডেভিড ও ওলুওয়াসেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করে গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন। মরক্কোর মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ইতিবাচক ফল পেতে হলে এই তিনজনের সেরাটা বের করে আনতেই হবে কানাডাকে।

ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াডই মরক্কোর শক্তি
মরক্কোর সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড। অভিজ্ঞ গোলরক্ষক বোনো রক্ষণভাগে যেমন আস্থার প্রতীক, তেমনি ডিফেন্সে আশরাফ হাকিমি ও নুসাইর মাজরাউইয়ের উপস্থিতি দলকে বাড়তি দৃঢ়তা দিয়েছে। দুই ফুল-ব্যাকই রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি দ্রুতগতির আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। আর আক্রমণভাগে ইসমাইল সাইবারির সৃজনশীলতা ও গোল করার সামর্থ্য প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

তবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় ডিফেন্ডার চাদি রিয়াদকে নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। স্বস্তির বিষয় হলো, তিনি ইতোমধ্যেই দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরেছেন এবং কানাডার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে প্রায় পূর্ণশক্তির দল নিয়েই মাঠে নামতে পারবে মরক্কো, যা তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে।

কানাডার সম্ভাব্য একাদশ:
ক্রেপো (গোলরক্ষক), জনস্টন (রক্ষণভাগ), বোম্বিতো (রক্ষণভাগ), কর্নেলিয়াস (রক্ষণভাগ), লারিয়া (রক্ষণভাগ), বুকানান (মিডফিল্ড), সালিবা (মিডফিল্ড), ইউস্তাকিও (মিডফিল্ড), শ্যাফেলবার্গ (মিডফিল্ড), জোনাথন ডেভিড (আক্রমণভাগ), ওলুওয়াসেই (আক্রমণভাগ)।


মরক্কোর সম্ভাব্য একাদশ:
বোনো(গোলরক্ষক), হাকিমি (রক্ষণভাগ), দিয়প (রক্ষণভাগ), রিয়াদ (রক্ষণভাগ), মাজরাউই(রক্ষণভাগ), এল আয়নাউই (মিডফিল্ড), বুয়াদ্দি (মিডফিল্ড), দিয়াজ (আক্রমণভাগ), উনাহি (আক্রমণভাগ), এল খান্নুস (আক্রমণভাগ), সাইবারি (আক্রমণভাগ)।


মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ