ঢাকায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক 'মাইকেল' তৈরি করেছেন পরিচালক অ্যান্টোইন ফুকুয়া। সাধারণ পরিবার থেকে কীভাবে মাইকেল জ্যাকসন পপের রাজা হয়ে উঠলেন, সেই কাহিনি উঠে এসেছে সিনেমায়। সংগীতের ইতিহাসের অন্যতম বর্ণিল ও বিতর্কিত এই ব্যক্তিত্বকে বড় পর্দায় দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন ভক্তরা।
২৪ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। একই দিন থেকে বাংলাদেশের হলেও দেখা যাবে। স্টার সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় প্রতিদিন ২৬টি শো রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ব্লকবাস্টার সিনেমাস ও লায়ন সিনেমাসেও রয়েছে প্রতিদিন একাধিক শো।
হলিউডে এর আগে যত সংগীতশিল্পীর বায়োপিক তৈরি হয়েছে, 'মাইকেল' সবচেয়ে ব্যয়বহুল—নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৫৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি। হলগুলোয় অগ্রিম টিকিটের চাহিদাও তুঙ্গে। সংগীতভিত্তিক বায়োপিকের ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় ওপেনিং পেতে যাচ্ছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান লায়ন্সগেট ফিল্মসের অনুমান, ৮২টি দেশ থেকে প্রথম দিনেই সিনেমাটি আয় করবে ৭৫ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার এবং রোববার নাগাদ বিশ্বব্যাপী মোট আয় বেড়ে দাঁড়াবে ১৪০ থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলার।
কোনো সংগীত তারকার বায়োপিককে ঘিরে এমন উন্মাদনা আগে দেখা গিয়েছিল 'বোহেমিয়ান র্যাপসডি'র সময়। কুইন ব্যান্ডের গায়ক ফ্রেডি মার্কারির সেই বায়োপিকটি ২০১৮ সালে আয় করেছিল ৯১০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। 'বোহেমিয়ান র্যাপসডি'র প্রযোজক গ্রাহাম কিং 'মাইকেল' সিনেমাটিও প্রযোজনা করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পপ সংস্কৃতির ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক তৈরি করবে এই বায়োপিক।
মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তার আপন ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। মাইকেলের সঙ্গে জাফরের চেহারার অনেকটাই মিল রয়েছে। মাইকেলের বিখ্যাত সব নাচের মুদ্রা ও পারফরম্যান্স নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে অনেক দিন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। ট্রেলারে তার উপস্থিতি এরই মধ্যে দর্শকদের মন জয় করেছে।
পরিচালক জানিয়েছেন, মাইকেল জ্যাকসনের শৈশব থেকে শুরু করে গগনচুম্বী সাফল্য এবং জীবনের শেষ দিকের বিতর্কিত অধ্যায়—সবই তুলে ধরা হয়েছে এই বায়োপিকে। ঐতিহাসিক কনসার্টের দৃশ্যগুলো পুনর্নির্মাণ করতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে