Views Bangladesh Logo

গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম (২৮) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে মুসলিমনগর এলাকার তাহসিনুল কোরআন মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রফিকুল ইসলামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বরুনদা গ্রামে। তিনি মুসলিমনগরের ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, বুধবার রাতে নির্যাতনের শিকার ১৭ বছর বয়সী ছাত্রের মায়ের করা মামলায় রফিকুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

৯৯৯-এর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার বিকেলে মুসলিমনগর থেকে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান, মাদ্রাসার এক শিক্ষক ১৭ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণ করেছেন। অভিযোগের পর স্থানীয় লোকজন ওই শিক্ষককে আটক করে মারধর করেন এবং এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ফতুল্লা থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় রফিকুলকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, নির্যাতনের শিকার ছাত্রটি প্রায় এক বছর আগে কোরআন হেফজ করার জন্য ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। অভিযোগ, ভর্তি হওয়ার পর থেকেই শিক্ষক রফিকুল ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।

মামলার এজাহারের বরাতে পুলিশ জানায়, সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট রাতে মাদ্রাসার বাথরুমে ওই ছাত্রকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে সে মাকে নির্যাতনের কথা জানায়।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তার শিক্ষককে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, বৃহস্পতিবার ওই মাদ্রাসাছাত্র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ