নারায়ণগঞ্জ গ্যাস বিস্ফোরণ: বেঁচে রইল না পরিবারের কেউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচ সদস্যের পরিবারের শেষ জীবিত সদস্য সায়েমা আক্তার (৩০) আজ সকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনের ব্যবধানে পুরো পরিবারটির সবাই প্রাণ হারালেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল ৯টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের রেসিডেন্ট সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
চিকিৎসকরা জানান, সায়েমার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল, এর মধ্যে শ্বাসনালিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছিল। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এইচডিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এর আগে সোমবার (১২ মে) তার স্বামী আবুল কালাম (৩৫) মারা যান। পরে বুধবার (১৪ মে) ছোট মেয়ে কথা (৫) এবং বৃহস্পতিবার তাদের দুই সন্তান মুন্না (১২) ও মুনি (৭) মারা যায়।
পরিবারটি ১০ মে ভোরে ফতুল্লার গ্রামবাংলা টাওয়ার সংলগ্ন গিরিধারা এলাকায় ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর ঘর থেকে আগুন বের হতে দেখে স্থানীয়রা ছুটে এসে দগ্ধদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
স্থানীয় ও স্বজনদের ধারণা, রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের সময় আগুন ধরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সায়েমার ছোট ভাই, মোঃ আরমান, জানান, কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে আবুল কালাম খাবার গরম করতে গেলে দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ ঘটে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে