স্মার্ট বাংলাদেশ নিয়ে তরুণদের সঙ্গে আলাপচারিতায় সজীব ওয়াজেদ জয়
ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে পরিচিত প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা একদল তরুণের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। 'লেটস টক' নামের ওই আয়োজনে প্রায় ২০০ তরুণের সঙ্গে এক পারস্পরিক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন জয়। খবর ইউএনবি'র।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এক প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই তরুণরা সেখানে উপস্থিত হন, যার শুরু হয়েছিল অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মধ্য দিয়ে। 'লেটস টক'-এর এই সেশনে অংশগ্রহণকারীরা জয়ের কাছে স্মার্ট বাংলাদেশ থেকে শুরু করে রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন রাখার সুযোগ পান।
এক প্রশ্নের জবাবে জয় দেশের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাসের জানান দেন। বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে উজ্জ্বলতর করতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের মেধা ও অর্জনের প্রসংশা করেন তিনি। দেশের ভবিষ্যত গড়ার পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি তরুণদের আরও বেশি কর্মের সুযোগ সৃষ্টি করবে, বলেন জয়।
সজীব ওয়াজেদ সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) চেয়ারপারসন। তিনি স্মার্ট ও ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেন। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং মাইক্রোপ্রসেসরের উন্নতিকল্পে চলমান পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশ ক্যাম্পেইনের গতিশীলতার পেছনে রয়েছে আওয়ামী লীগের আন্তরিক উদ্যোগ। আর সেই উদ্যোগকে সফলকাম করতে এবং দেশের ডিজিটাল রূপ বদলে দিতে যত চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন জয়। তিনি দেশের সেই সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেন যখন দেশে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না এবং স্মার্টফোনও ছিল অপ্রতুল। আর এখন বাংলাদেশে স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী প্ল্যান্ট রয়েছে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠান উচ্চমানের প্রযুক্তিপণ্য তৈরি করছে যা আমাদের গর্বের বিষয়।
আওয়ামী লীগের উত্থাপিত ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা দেশজুড়ে তরুণ প্রজন্মের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে, দেশে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। 'লেটস টক' অংশে সজীব ওয়াজেদ গ্রাম ও শহর থেকে আসা অংশগ্রহণকারীদের বিবিধ দৃষ্টিভঙ্গী ও ভাবনাগুলোকে বিবেচনায় নেন।
এই আয়োজনটি ছিল 'লেটস টক'-এর ৫১তম পর্ব। তরুণদের চিন্তা-ভাবনার একটা প্লাটফর্ম গড়ে দিতে সেখানে শিক্ষকসহ নানা অঙ্গনের সফলকাম ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে