Views Bangladesh Logo

সুস্থ ঘোষণা করে ছাড়পত্র, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে জিসান

ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধান চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। পরে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিন বিকেল ১৭টা ৪০ মিনিটের দিকে জিসানকে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাইয়োব উদ্দিন তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন পাটোয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে চার দিন ধরে জিসান কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পুলিশের হেফাজতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মেডিকেল বোর্ড তাঁকে সুস্থ ঘোষণা করলে দুপুর ১২টার দিকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

কুমেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর জিসান মিয়া প্রধানকে সুস্থ বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন।

কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও পরে গর্ভপাতে বাধ্য করার অভিযোগে গত শুক্রবার রাতে জিসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জিসানকে নিখোঁজ দেখিয়ে তার স্বজনেরা দাউদকান্দি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরদিন শুক্রবার (১২ জুন) রাতে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, জিসান আত্মগোপনে ছিলেন; পরিবারের পক্ষ থেকে অবশ্য তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করার দাবি করা হয়েছিল।

জিসান মিয়া প্রধান ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংগঠনটি তাকে বহিষ্কার করে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ