যক্ষ্মা শনাক্তকরণে আইসিডিডিআরবিকে ১.৪৫ মিলিয়ন ডলার দেবে জাপান
ঢাকার বস্তি ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় যক্ষ্মা (টিবি) শনাক্তকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ১ লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান দিচ্ছে জাপান। এ অর্থে মোবাইল টিমের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে টিবি পরীক্ষার সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় জাপান দূতাবাসে এ-সংক্রান্ত অনুদান চুক্তি সই হয়। এতে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)-এর একজন প্রতিনিধি অংশ নেন।
জাপান সরকারের গ্রাসরুটস হিউম্যান সিকিউরিটি প্রজেক্টস (জিজিপি) কর্মসূচির আওতায় এ অর্থ দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে টিবি শনাক্তকরণের জন্য একটি টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার এবং ফুজিফিল্মের একটি বহনযোগ্য ডিজিটাল এক্স-রে ইউনিট কেনা হবে।
প্রকল্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ কম এমন জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টদের হিসাবে, প্রতি বছর প্রায় ৯ হাজার মানুষকে এ কার্যক্রমের আওতায় টিবির জন্য স্ক্রিনিং করা সম্ভব হবে।
এ উদ্যোগের ফলে আগে শনাক্ত না হওয়া টিবি রোগীদের দ্রুত চিহ্নিত করে চিকিৎসার আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গেলে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমানো সম্ভব হবে।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বলেন, মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় মানবিক নিরাপত্তাকে জাপান বিশেষ গুরুত্ব দেয়। স্বাস্থ্যসেবা পেতে যারা বিভিন্ন ধরনের বাধার মুখোমুখি হন, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে টয়োটা শো করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিতানিও উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের আওতায় ব্যবহৃত যানবাহন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিচালনায় কারিগরি প্রশিক্ষণ দেবে টয়োটা শো করপোরেশন ও ফুজিফিল্ম। জাপান ১৯৮৯ সাল থেকে জিজিপির আওতায় বাংলাদেশে ২২৪টি এনজিও প্রকল্পে সহায়তা দিয়েছে। এসব প্রকল্পে দেশটির মোট অনুদানের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার।
মতামত দিন