জাপানের প্রধানমন্ত্রী থাকছেন শিগেরু ইশিবা
গতমাসে নিম্নকক্ষের নির্বাচন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হয়ে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবাকেই নেতা পদে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছেন জাপানের আইনপ্রণেতারা।
১ অক্টোবর ক্ষমতা গ্রহণের পর আগাম ভোটের ডাক দেয়া ইশিবাকে এখন ভঙ্গুর সংখ্যালঘু সরকার চালাতে হবে। কারণ সংরক্ষণবাদী ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাচ্ছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও উত্তর কোরিয়ার সাথে উত্তেজনা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের লাগাম টানতে অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-কোমেইতো জোট গত নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জিতলেও ২০১২ সালে পাওয়া সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান শিগেরু ইশিবা। ফলে নীতিগত এজেন্ডা পাস করতে ছোট বিরোধী দলগুলোর কাছে নতজানু হয়ে পড়েছেন এই প্রধানমন্ত্রী।
সেই ভঙ্গুরতার কথা উল্লেখ করে টেলিভিশনে প্রচারিত পার্লামেন্টে সোমবারের (১১ নভেম্বর) ভোটাভুটি ৩০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো রানঅফে গেছে, যেখানে প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন জোগাড় করতে পারেননি।
তবে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা অনুসারেই জয়ী হন ইশিবা। ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে ২২১ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিকো নোদাকে ছাড়িয়ে যান তিনি।
জাপানে আগামী বছর অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী উচ্চকক্ষের নির্বাচন হবে, যেখানে ইশিবা তার প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে না পারলে ক্ষমতাসীন জোটের স্বল্প সংখ্যাগরিষ্ঠতাও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। যা আইনপ্রণেতাদের অলিপিবদ্ধ অনুদান নিয়ে কেলেঙ্কারিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে