Views Bangladesh Logo

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ আয়ুর্বেদ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী

আয়ুর্বেদ নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার গুলশানে ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আয়োজিত ১১তম আয়ুর্বেদ দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

অনুষ্ঠানে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, রোগ প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতি এবং প্রাচীন জ্ঞানব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আয়ুর্বেদ নিয়ে যৌথ গবেষণার জন্য একটি বিশেষায়িত কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে দুই দেশের শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু আয়ুর্বেদ নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রেই সহযোগিতা বাড়াবে না, বরং দুই দেশের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও গভীর করতেও ভূমিকা রাখতে পারে। ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। এবারের আয়ুর্বেদ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ আগামী দিনের জন্য আয়ুর্বেদ’ তুলে ধরে তিনি আয়ুর্বেদ, যোগ, প্রাকৃতিক চিকিৎসা, ইউনানি, সিদ্ধ ও হোমিওপ্যাথির প্রসারে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সরকারি আয়ুর্বেদ ও ইউনানি কলেজের অধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান খান, প্রাচীর প্রতিনিধি ডা. মোখলেসুর রহমান, নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মামুন মিয়া এবং নারায়ণগঞ্জ আর্টস কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়ুর্বেদ দিবসের একাডেমিক পর্বে আয়ুর্বেদ বিষয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসাইন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ চিকিৎসা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. বাবুল আক্তার এবং ডা. মোহাম্মদ মামুন মিয়া বক্তব্য দেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন আয়ুর্বেদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও কর্মশালায় অংশ নেন।

পরে সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশি শিল্পী শাহিন সোবহানা সুরভির উল দিয়ে তৈরি গণপতি ট্যাপেস্ট্রির প্রতীকী উদ্বোধন করা হয়। এরপর শাস্ত্রীয় ও বাংলা খেয়াল সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রঞ্জন চন্দ্র সরকার। অনুষ্ঠান শেষে তাঁকে সম্মাননা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কর্মশালায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ