Views Bangladesh Logo

হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, প্লাবিত নিঝুম দ্বীপ

 VB  Desk

ভিবি ডেস্ক

ঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে নোয়াখালীর উপকূলে টানা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে, ফলে হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নদীপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বুধবার সকাল ১১টা থেকে স্থানীয় প্রশাসন এই পথ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।

নোয়াখালী আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপটি এখন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হতে পারে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকা ও সাগরে ঝড়ো হাওয়া ও দমকা বাতাস বয়ে যেতে পারে। সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে এবং ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি রয়েছে।

অন্যদিকে, নিঝুম দ্বীপে জোয়ারের পানির উচ্চতা স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-৬ ফুট বেড়ে যাওয়ায় ব্যাপক প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। দ্বীপের নয়টি ওয়ার্ডের বহু ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে এবং বাসিন্দারা আটকা পড়েছেন। নদীতীরবর্তী দোকানপাট ও জেটিঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; কিছু দোকান ভেসেও গেছে। রিং বাঁধ না থাকায় প্লাবনের মাত্রা বেড়েছে।

হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। টানা বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও জোয়ারের কারণে সাধারণ মানুষ ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা কাজে যেতে পারছেন না। নিঝুম দ্বীপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ইতিমধ্যে পানির নিচে চলে গেছে।

হাতিয়া উপজেলার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে সবধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইস্তিয়াক আহমেদ জানান, উপকূলীয় উপজেলার ইউএনওরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দুর্বল রিং বাঁধগুলো মনিটর করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।




মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ