হজ নিবন্ধনের সময় শেষ ২৪ সেপ্টেম্বর, কোটা পূরণ নিয়ে শঙ্কা
২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারিত হলেও এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন মাত্র ৩ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জন নিবন্ধন করেছেন। ফলে নির্ধারিত কোটার বড় একটি অংশ এখনো নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হজের নিবন্ধনের শেষ সময়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের মেয়াদ আর বাড়ানোর সুযোগ থাকবে না। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে ইচ্ছুকদের চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ-১ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে যুক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শুরু হয়েছিল গত ২৭ জুলাই। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তা শেষ হবে। নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।
বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীর চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর সেই সংখ্যার ভিত্তিতেই সৌদি পর্বের প্রয়োজনীয় অর্থ পাঠানো হবে। একই সঙ্গে হজযাত্রীদের চিকিৎসা পরীক্ষা, শারীরিক সক্ষমতার সনদ, টিকাদান ও প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের হজযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বিপরীতে নিবন্ধন হয়েছে ৩ হাজার ৭৪১ জনের। অর্থাৎ এখনো ৭৪ হাজার ৭৫৯ জনের নিবন্ধন বাকি রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক হজযাত্রীর নিবন্ধন সম্পন্ন করা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৎপরতা বেড়েছে।
মতামত দিন