বিশ্ব ইজতেমায় পুলিশের নির্দেশনা
বিশ্ব ইজতেমা নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ। নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান করা, মূল সড়কের কাছে তাবু না খাঁটানো এবং কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদরদপ্তর এ নির্দশেনা দিয়েছে।
টঙ্গীর তুরাগ তীরে তাবলিগ জামাতের এ বার্ষিক সম্মিলন হবে আগেরবারের মতই দুই পর্বে। ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমার প্রথম পর্ব এবং চার দিন বিরতি দিয়ে ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা হবে।
ইজতেমা উপলক্ষে ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা এবং টঙ্গী থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য ১১ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
· ইজতেমায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার পাশাপশি প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা নেওয়া।
· নির্ধারিত খিত্তায় অবস্থান করা এবং অপরিচিত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তি, কোনো পোটলা, ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তুর
উপস্থিতি দেখামাত্র তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরকে অবহিত করা।
· টাকা, মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে একাকী বা বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাফেরা না করে সবসময় নিজ হেফাজতে রাখা।
· টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি বা হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করা।
· হকার ও ভ্রাম্যমাণ ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণে অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির কবলে পড়ার ঝুঁকি থাকে, ফলে তা এড়িয়ে চলা।
· নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচলের সুবিধার্থে ইজতেমা চলাকালে প্রধান সড়ক ও পাশ্ববর্তী এলাকায় তাঁবু না খাটানো কিংবা
অন্য কোনোভাবে সড়ক ও পাশ্ববর্তী এলাকা ব্যবহার না করা।
· অসুস্থ হলে ইজতেমার জন্য নির্ধারিত অস্থায়ী হাসপাতাল ও নিকটবর্তী হাসপাতাল, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী বা প্রয়োজনে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা নেওয়া।
· গুজব শুনলে বা কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে ধৈর্য ধরে সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতা করা।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে