সংকটে থাকা পোশাক কারখানায় প্রণোদনা দেবে সরকার: আশ্বস্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের তৈরি পোশাক খাতের সংকটে থাকা কারখানাগুলোকে সচল রাখতে সরকার বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। যে সব কারখানা এখনো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি, তবে আর্থিক সংকটের কারণে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলছে, সেগুলোকে সহায়তার আওতায় আনা হবে বলে জানা গেছে।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীতে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ দুই সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।জাতীয় সংবাদ
বৈঠক শেষে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, বন্ধ বা সংকটে থাকা শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবনে বাংলাদেশ ব্যাংক যে বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, সেখান থেকেই সংকটাপন্ন চালু কারখানাগুলোও সহায়তা পাবে।
ব্যবসায়ী নেতারা বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটি নীতির সমালোচনা করে জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বিনিয়োগ ও উৎপাদন সচল রাখতে আরও বাস্তবমুখী নীতি সহায়তা প্রয়োজন। এ সময় তারা বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন।
মাহমুদ হাসান খান বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজ করতে কোন কোন ক্ষেত্রে নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন, সে বিষয়ে লিখিত প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে। প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর তা বাস্তবায়নে সরকার ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহার পর বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে রাজশাহীতে সরকারি রেশমশিল্প কারখানাগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও আলোচনায় এসেছে।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী, পূর্তমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে