Views Bangladesh Logo

২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে দেশে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। নতুন এই কূপ থেকে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খনন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব ছোট ছোট উদ্যোগ ২০৩০ সাল নাগাদ গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান দূর করতে সহায়তা করবে। নতুন এই কূপের গ্যাস মানুষের মধ্যে স্বস্তি আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।

এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাসের ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়। ২৭ মে খননকাজ শেষ হওয়ার পর ১৯ জুন পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। এরই মধ্যে কূপটি থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।

কূপটির প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না জানান, ২৮ নম্বর কূপের ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার ৩ হাজার ৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ২ হাজার ১০০ পিএসআই। কূপটি থেকে দীর্ঘ সময় গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উত্তোলন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক, বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামানিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ