৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল
আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের পাঁচটি বিভাগে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে যাচ্ছে সরকার। খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব হাসপাতালে নবজাতক ও শিশুদের জন্য আধুনিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনিং ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হবে। একই সঙ্গে বড় পরিসরের আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রতিটি হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রের টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। নিউনেটাল ভেন্টিলেটর, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে মেশিন, পোর্টেবল এক্স-রে, কার্ডিয়াক মনিটর ও ফটোথেরাপি মেশিনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি জুলাই মাসের মধ্যেই সরবরাহ করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল ও খুলনা শিশু হাসপাতাল আগামী আগস্টের শুরুতেই চালু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে সেখানে জরুরি বিভাগ চালুর মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হবে।
প্রতিটি হাসপাতালে প্রায় ১ হাজার ৪৭৫ জন করে জনবল প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অব্যবহৃত পড়ে থাকা শিশু হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভাগীয় পর্যায়ে হাসপাতালগুলোর নির্মাণ ও প্রস্তুত কাজ জোরদার করে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। এসব হাসপাতালে আইসিইউসহ আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে শিশু চিকিৎসা সেবার চাপ কমবে এবং জটিল রোগে আক্রান্ত শিশুদের উন্নত চিকিৎসা প্রাপ্তি সহজ হবে।
আগামী ছয় মাসের এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিকে এখন নজর রয়েছে স্বাস্থ্য প্রশাসনের। সূত্র: বাসস
মতামত দিন