মোটিফে আগুন লাগানো ব্যক্তি শনাক্ত, শোভাযাত্রার আগেই গ্রেপ্তারের আশা: ডিএমপি কমিশনার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে তৈরি একটি মুখোশে আগুন লাগানো ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল, অর্থাৎ আনন্দ শোভাযাত্রা শুরুর আগেই তাকে গ্রেপ্তারের আশা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার সাজ্জাদ আলী।
রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রমনা পার্কে পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের প্রতীক হিসেবে তৈরি করা মুখোশে যিনি আগুন দিয়েছেন, তাকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। আশা করছি, শোভাযাত্রা শুরুর আগেই আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে পারব।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘শাহবাগ থানায় এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা ঘটনাটির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি।’
এর আগের দিন শনিবার ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে তৈরি কয়েকটি প্রতীকী মুখোশে আগুন লাগে। এসবের মধ্যে ছিল ‘ফ্যাসিস্টের রূপ’ ও ‘শান্তির পায়রা’।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঘটনাটি শনিবার ভোর ৪টা ৪৫ থেকে ৫টার মধ্যে ঘটে থাকতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় দায়িত্বে থাকা মোবাইল টিম ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ায় ফাঁকটি কাজে লাগানো হয়।’
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মুখোশটি বাঁশ ও বেত দিয়ে তৈরি একটি নারীর প্রতিকৃতি। মুখে দাঁতের ফাঁক, মাথায় চারটি শিং, বড় নাক ও ভীতিকর চোখের চিত্রটি অনেকের চোখে শেখ হাসিনার প্রতিচ্ছবি বলে মনে হয়েছে।
শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ঘটনাটির নিন্দা জানান এবং বলেন, ‘এতে যেই জড়িত থাকুক না কেন, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করেই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া উচিত।’

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে