১৪-১৫ বার বিদেশ সফরে গেছেন ইউনূস, আমাকে ব্রিফ করেননি: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আমার সঙ্গে স্বাভাবিক সমন্বয় করেননি। সংবিধান অনুযায়ী বিদেশ সফর শেষে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার বিধান থাকলেও তা মানেননি তিনি। ১৪-১৫ বার বিদেশ সফরে গেছেন, একবারও আমাকে ব্রিফ করেননি।
গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে জাতীয় গণমাধ্যম কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের আগে হওয়া চুক্তির বিষয়েও তিনি অবগত নন বলে জানান।
কসোভো ও কাতারে আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তাকে যেতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
কাতারের আমিরের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাকে একটি খসড়া চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে ব্যস্ততার অজুহাতে সফর বাতিলের কথা লেখা ছিল।
তিনি বলেন, আমি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে চিঠি ফেরত পাঠাই এবং এই আচরণের নিন্দা জানাই।
রাষ্ট্রপতির অভিযোগ, বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে আমার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়। রাতারাতি সারা বিশ্বের হাইকমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে দেওয়া হলো।
এটিকে অপসারণ পরিকল্পনার ‘প্রথম ধাপ’ ছিল।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের খবর প্রকাশের পর বঙ্গভবনের প্রেস উইং প্রত্যাহার করা হয় বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি। প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, আমরা কোনো প্রেস রিলিজ দিতে পারিনি। এমনকি ক্রিকেট দল জিতলেও অভিনন্দন জানাতে পারিনি।
সব চাপের মধ্যেও তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় অবিচল ছিলেন বলে দাবি করেন রাষ্ট্রপতি। তিন বলেন, আমি বলেছি, রক্ত ঝরলেও বঙ্গভবন ছেড়ে যাব না। ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায় যুক্ত হলেও সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ভাঙতে দেব না।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে