Views Bangladesh Logo

ইংল্যান্ডকে চমকে দিয়ে লিড নিয়ে বিরতিতে ডিআর কঙ্গো

Sports Desk

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রত্যাশা ছিল ইংল্যান্ডের দাপটের। কিন্তু মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন গল্প। ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে পিছিয়ে রেখেছে ডিআর কঙ্গো। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার করা একমাত্র গোলেই বিরতিতে এগিয়ে রয়েছে আফ্রিকার দলটি।

আটলান্টা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে নামে কঙ্গো। সপ্তম মিনিটে ডান দিক থেকে আসা একটি ক্রসে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জেড স্পেন্স বলের বাউন্স ভুল বিচার করলে সুযোগটি লুফে নেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। বক্সের ভেতরে ফাঁকা অবস্থায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।

গোল হজমের পর থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইংল্যান্ড। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও শেষ মুহূর্তে বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি।

৩০ মিনিটে জুড বেলিংহামের শক্তিশালী হেড দুর্দান্ত রিফ্লেক্সে ফিরিয়ে দেন এমপাসি। নিশ্চিত গোল থেকে দলকে বাঁচিয়ে কঙ্গোর লিড অক্ষুণ্ন রাখেন তিনি। ৩৫ মিনিটে সমতায় ফেরার আরেকটি সুযোগ তৈরি করেন মার্কাস রাশফোর্ড। ডি-বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তাঁর জোরালো শট কঙ্গোর এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বাইরে চলে যায়।

৪২ মিনিটে ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ করে ফেলেছিল ডিআর কঙ্গো। ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলে অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে ইয়োয়ান উইসা প্রথম ছোঁয়ায় শট নেন। তবে ইংল্যান্ডকে রক্ষা করে গোলপোস্ট। বল পোস্টে লেগে ফিরে আসায় দ্বিতীয় গোলের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয় কঙ্গো। ৪৪ মিনিটে হ্যারি কেইনের পেনাল্টির জোরালো আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। লম্বা বল তাড়া করতে গিয়ে কঙ্গোর গোলরক্ষক এমপাসির সঙ্গে সংঘর্ষে বক্সের ভেতর পড়ে যান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তবে পেনাল্টি না দিয়ে উল্টো কেইনের বিপক্ষেই ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন ম্যাচ কর্মকর্তা।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও নায়ক হয়ে ওঠেন এমপাসি। ডান দিক থেকে আসা নিখুঁত ক্রসে জুড বেলিংহামের নিচু হেড এক অসাধারণ ডাইভ দিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফিরিয়ে দেন তিনি। নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে বিরতিতে দলের লিড অক্ষুণ্ন রাখেন কঙ্গোর এই গোলরক্ষক।

প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণের সংখ্যায় এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। বেলিংহ্যাম, রাশফোর্ড ও কেইনকে ঘিরে বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি করে তারা। তবে ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতা এবং এমপাসির দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ের কারণে সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়ন্স।

অন্যদিকে, ডিআর কঙ্গো তুলনামূলক কম সময় বল দখলে রেখেও আক্রমণে ছিল অনেক বেশি কার্যকর। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ, শৃঙ্খল রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের অনবদ্য পারফরম্যান্সে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকেই রাখতে সক্ষম হয়েছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন বলছে- ইংল্যান্ড ০-১ ডিআর কঙ্গো। এখন দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ ষোলো কে নিশ্চিত করতে পারে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ