সান মারিনো মিশনে ডুলির দল
ইউরোপের মাটিতে প্রথম ম্যাচ খেলতে রোববার (৩১ মে) দুপুরে ঢাকা ছেড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।
নতুন কোচ থমাস ডুলির এটি প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সে ইথিওপিয়া হয়ে প্রথমে রোম, এরপর সড়কপথে প্রায় ছয় ঘণ্টার যাত্রায় দল পৌঁছাবে সান মারিনোতে। সেখানে ৬ জুন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের তলানির দলটির সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা।
র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ১৮১তম, সান মারিনো ২১১তম — ব্যবধান ৩০ ধাপ। তবে সংখ্যায় পিছিয়ে থাকলেও সান মারিনো ইউরোপিয়ান নেশনস লিগে নিয়মিত খেলার সুবাদে বড় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভিজ্ঞতা রাখে। ফলে শক্তিমত্তায় তাদের বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জিততে না পারলে র্যাঙ্কিংয়ে বড় পতনের আশঙ্কাও রয়েছে।
বিমানবন্দরে অভিজ্ঞ সেন্টারব্যাক তপু বর্মণ বলেন, সান মারিনোর অনেক ফুটবলার ইউরোপে খেলেন এবং তারা ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত মাঠে নামে। তবে বাংলাদেশ নিজেদের সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করবে।
কানাডা প্রবাসী মিডফিল্ডার কাজেম শাহ জানান, নতুন কোচ কৌশলগত দিকে বেশি মনোযোগ দেন, পাসিং ফুটবল পছন্দ করেন এবং খেলোয়াড়দের বেশি স্বাধীনতা দেন।
২ জুন সান মারিনো পৌঁছানোর পর হামজা চৌধুরী, সামিত শোম ও জায়ান আহমেদ সরাসরি দলে যোগ দেবেন।
তপু বলেন, এক বছর ধরে একসঙ্গে খেলায় পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো থাকায় দেরিতে যোগ দেওয়া কোনো সমস্যা হবে না।
ইতিমধ্যে ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ায় ইতালিপ্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসাহ স্পষ্ট। ইউরোপের অচেনা দেশেও একটি চেনা আবহ পাবেন হামজারা।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে