২০% পারস্পরিক শুল্ক কমানোর অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন । সেই সঙ্গে মার্কিন সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বৈঠকে তিনি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যে বিদ্যমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে ড. রহমান রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের সঙ্গে বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই বাংলাদেশ আমদানি বৃদ্ধি করে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।” তিনি আরও জানান, “চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।”
ড. রহমান বিদ্যমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার আশ্বাস দেন যে এই প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে এবং মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ওপর শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।
উভয় পক্ষ দ্রুততম সময়ে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত ও বাস্তবায়ন করার জন্য অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান করতে একমত হন।
ড. রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “বর্ধিত বাণিজ্য দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।” বাংলাদেশের সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্তির প্রসঙ্গে তিনি রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার কাছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করার আহ্বান জানান।
ড. রহমান বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডেভেলপমেন্ট ফিন্যান্স কর্পোরেশন (DFC) তহবিল প্রাপ্তির অনুরোধও করেন, যার প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে