Views Bangladesh Logo

আওয়ামী লীগের আমলের সব নিয়োগ যাচাই করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শিক্ষকসহ সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রমে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অর্থায়নে পরিচালিত ‘হেকেপ’ প্রকল্পের আওতায় গবেষণার অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, সেটিও পর্যালোচনায় আরেকটি কমিটি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিয়োগ কার্যক্রম যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গঠিত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালামকে। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের ডিন সদস্য হিসেবে রয়েছেন। অন্যদিকে, গবেষণা প্রকল্প ও অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীকে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ও একাডেমিক বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্তত ৬৮ জন শিক্ষককে পাঠদান থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এছাড়া আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২৮ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এদিকে, গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিভিন্ন অভিযোগে কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে ‘অশিক্ষকসুলভ আচরণ’ এবং ‘নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের’ অভিযোগে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাদেকা হালিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ধরনের পৃথক অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক আফরোজা শেলীকেও। পাশাপাশি চারজন শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেট সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রশাসনিক ভবনসংলগ্ন মলচত্বরে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করা হবে। আগামী ৫ আগস্ট এই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ