Views Bangladesh Logo

ঈদের ছুটিতে নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৮ দফা নির্দেশনা

আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) আবু হোসেন মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য হলো উৎসবকালীন সময়ে জরুরি চিকিৎসা সেবার মান বজায় রাখা এবং জনবল ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা।

নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দেশনা অনুযায়ী,ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে লেবার রুম, জরুরি অপারেশন থিয়েটার, ল্যাবরেটরি, ব্লাড ব্যাংক এবং সিটি স্ক্যান ও এমআরআই সেবাসমূহ সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এমনভাবে ছুটির তালিকা সমন্বয় করতে বলা হয়েছে যাতে ঈদের আগে ও পরে জরুরি সেবা কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়। এক্ষেত্রে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ছুটি মঞ্জুর করতে বলা হয়েছে। এছাড়া সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালকদের তত্ত্বাবধানে নিজ নিজ জেলায় প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।


হাসপাতালের প্রতিটি ইউনিটে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ছুটির দিনেও নির্ধারিত রাউন্ড দিতে হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। সব পর্যায়ের হাসপাতালে জরুরি ল্যাবরেটরি ও এক্স-রে সেবা চালু রাখার পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অন-কল সেবা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

ছুটির আগেই প্রয়োজনীয় ওষুধ, আইভি ফ্লুইড, সার্জিক্যাল সরঞ্জাম এবং রিএজেন্ট মজুদ রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অ্যাম্বুলেন্স সেবা সব সময় সচল রাখার পাশাপাশি হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঈদের ছুটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক যোগাযোগ সচল রাখতে হবে। কোনোভাবেই বহিঃবিভাগ টানা ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে নিবন্ধিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে জরুরি ও প্রসূতি সেবা চালু রাখতে হবে। এছাড়াও পশুর হাটের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি রাখার পাশাপাশি যে কোনো জরুরি অবস্থা বা দুর্যোগের তথ্য কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দ্রুত পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ