ফরিদপুরের চার আসনে ২৮ প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের জামানত জব্দ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের জামানত জব্দ হয়েছে। অর্থাৎ মোট প্রার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশ প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২–এর ৪৪(৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।
ফরিদপুর–১ আসন
বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী নিয়ে গঠিত এ আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট বৈধ ভোট পড়ে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯৯৮টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৯ হাজার ৮৭৫ ভোট। এখানে বিজয়ী জামায়াতের মো. ইলিয়াস মোল্লা এবং বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ছাড়া বাকি ছয়জন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে।
ফরিদপুর–২ আসন
নগরকান্দা ও সালথা নিয়ে গঠিত এ আসনে ছয়জন প্রার্থী ছিলেন। বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬টি, জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট। বিজয়ী শামা ওবায়েদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ মো. আকরাম আলী ছাড়া অন্য চারজনের জামানত জব্দ হয়েছে।
ফরিদপুর–৩ আসন
সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ছয়জন প্রার্থী অংশ নেন। মোট বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৩টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৮৯৩ ভোট। এখানে বিজয়ী নায়াব ইউসুফ এবং জামায়াতের আবদুদ তাওয়াব ছাড়া বাকি চারজন জামানত হারিয়েছেন।
ফরিদপুর–৪ আসন
ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত এ আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বৈধ ভোট পড়ে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯২টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৩৭৪ ভোট। বিজয়ী বিএনপির শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এএএম মুজাহিদ বেগ জামানত রক্ষা পেলেও বাকি পাঁচজনের জামানত জব্দ হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, যারা প্রয়োজনীয় ভোট পাননি, তাদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে