ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ২৯ ডিসেম্বর
২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের বিডিএস (ডেন্টাল) ভর্তি পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং ভর্তি পরীক্ষা হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। এ বছর দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুই ভিন্ন পদ্ধতিতে যথাক্রমে ৩ এবং ৬ নম্বর কর্তন করা হবে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের বিডিএস (ডেন্টাল) ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের ২০২৩ বা ২০২৪ সালে এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ২০২১ সালের আগে এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবেন না।’
এদিকে, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আবেদনকারীকে বিজ্ঞানের শাখায় এসএসসি, ও-লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন থাকতে হবে।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় সম্মিলিত জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ থাকতে হবে। তবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পার্বত্য এলাকার সাধারণ প্রার্থীদের জন্য সম্মিলিত জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ প্রয়োজন।
যদি কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫০ এর কম হয় তবে প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া, জীববিজ্ঞানে ন্যূনতম ৪.০০ গ্রেড পয়েন্ট থাকা আবশ্যক।
লিখিত ভর্তি পরীক্ষা এইচএসসি সিলেবাস অনুযায়ী হবে। মোট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি প্রশ্নের মান হবে ১ নম্বর। বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন: জীববিজ্ঞান ৩০, রসায়ন ২৫, পদার্থবিদ্যা ২০, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) ১০। পরীক্ষা এক ঘণ্টার হবে।
প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর প্রদান করা হবে। একাধিক উত্তর দেয়া হলে প্রশ্নটি ভুল বলে গণ্য হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কর্তন করা হবে।
লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম প্রাপ্ত প্রার্থীরা দেশে বা বিদেশে বিডিএস বা সমমানের কোর্সে ভর্তির জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফল ও মেধাক্রম প্রকাশ করা হবে।
এসএসসি, ও-লেভেল এবং এইচএসসি, এ-লেভেল বা সমমানের পরীক্ষার জিপিএ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ নম্বর গণনা করা হবে। এসএসসি বা ও-লেভেল জিপিএকে ১০ দিয়ে গুণ করে সর্বোচ্চ ৫০ এবং এইচএসসি বা এ-লেভেল জিপিএকে ১০ দিয়ে গুণ করে সর্বোচ্চ ৫০ নম্বর প্রদান করা হবে।
লিখিত পরীক্ষার নম্বর এবং এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার জিপিএ থেকে প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে প্রার্থীর মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে