সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় লেখা হয় মন্ত্রণালয়ে: হুম্মাম
বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ট্রাইব্যুনালে নয়, আইন মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সাকা চৌধুরীর বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন অভিযোগ করেন।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আর আক্রোশের শিকার জানিয়ে হুম্মাম কাদের বলেন, শেখ হাসিনার লক্ষ্য ছিল তার বিরোধীদের সরিয়ে দেয়া। আমার বাবা তার আক্রোশের শিকার। গুম, খুন, হত্যা করে টিকে থাকাই ছিল হাসিনার উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষী দেয়ার জন্য বিদেশ থেকে চারজন আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ষড়যন্ত্র করে তাদের দেশে আসতে বাধা দিয়েছিল।
তিনি জানান, এ বিষয়ে আগামী রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হবে।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, মুনীব আরজমন্দ খান, অ্যাম্বার হারুন সাইগল, ইসহাক খান খাকওয়ানি এবং রিয়াজ আহমেদ নূন—এই চারজন ১৯৭১ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বাবার সহপাঠী ছিলেন। তারা প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ছিলেন। যদি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতো এবং তারা সাক্ষ্য দিতে পারতেন, তাহলে তারা বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারতেন।
একাধিকবার ট্রাইব্যুনালে এবং সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পরও তাদের দেশে প্রবেশের অনুমুতি দেয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এমনকি আমরা আমাদের বাবাকে হত্যা করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের আনতে শেষ চেষ্টা করেছি।
সালাউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে যারা সাক্ষী দিয়েছেন, তাদের ওপর মব জাস্টিস না করার আহ্বান জানিয়ে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, কক্সবাজারে আমার বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়া একজনকে মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। এটি যেন আর না করা হয়। তারাও বাংলাদেশের নাগরিক, তাদেরও অধিকার আছে বাঁচার।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে