বন্দর কার্যক্রমে উন্নত অটোমেশনের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের
বাংলাদেশের বাণিজ্য দক্ষতা বাড়াতে বন্দর কার্যক্রমে অটোমেশন, উন্নত লজিস্টিক সুবিধা এবং সরকারি সংস্থার মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদ।
তিনি বলেন, বন্দর কার্যক্রমে স্বয়ংক্রিয়তা, লজিস্টিক সুবিধা বাড়ানো, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সমন্বয়ের উন্নতি, অর্থপ্রদানের অবস্থার ভারসাম্যের উন্নতি, বৈদেশিক রিজার্ভ বাড়ানো এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার যৌক্তিকভাবে কমানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ডিসিসিআই মিলনায়তনে ‘ইজিং দ্য বিজনেস সিস্টেম: অ্যান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড পারস্পেকটিভ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মুদ্রার অবমূল্যায়ন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং শুল্ক ও বন্দরে প্রক্রিয়াগত জটিলতা সহ বেসরকারি খাতের মুখোমুখি চ্যালেঞ্জগুলোও তুলে ধরেন আশরাফ আহমেদ।
'অটোমেশনের অভাব এবং অপর্যাপ্ত পরীক্ষার সুবিধা আমদানি/রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সময় নষ্ট করে, প্রতিযোগিতামূলকতাকে বাধা দেয়'- বলেন তিনি।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারের ৫৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বন্দরগুলোর আধুনিকীকরণে জোর দিয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বন্দর কর্মীদের প্রশিক্ষণ বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) এস এম লাবলুর রহমান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর এম ফজলুর রহমান, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপসচিব (পরিচালক, ট্রাফিক) মো. কামাল হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (ডব্লিউটিও উইং) ড. ফারহানা আইরিস এবং বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. হাসান আলী সভায় আলোচনা করেন।
মতামত দিন