Views Bangladesh Logo

রাজশাহীর সবচেয়ে বড় পশুর হাটে উপচে পড়া ভিড়

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে রাজশাহী সিটি হাট। রাজশাহীর সবচেয়ে বড় এই পশুর হাটে এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। দেশি-বিদেশি জাতের গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার খামারি ও ব্যাপারী হাটে আসছেন।

হাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয়ভাবে লালন-পালন করা স্বাস্থ্যকর পশুর চাহিদা বাড়ায় এবারের বাজার আগের চেয়ে আরও বড় পরিসরে জমে উঠেছে। রাজশাহীর গরুর মাংসের মান ভালো এবং দাম তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় ঢাকা, খুলনা, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা এখানে আসছেন।

হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট দেশি গরু বিক্রি হচ্ছে ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে। মাঝারি আকারের গরুর দাম ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত। বড় গরুর দাম উঠছে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া ছাগল ও ভেড়ার দাম ৮ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে এবং মহিষের দাম ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন শহরে ৮টি অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমতি দিয়েছে। জাল নোট প্রতিরোধে বিভিন্ন হাটে কারেন্সি স্ক্রিনিং মেশিনও বসানো হয়েছে।

সিটি হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান কালু বলেন, স্থানীয় কৃষকরা উৎপাদন বাড়ানোয় এবার রেকর্ড পরিমাণ পশু হাটে উঠেছে। তিনি জানান, সাধারণত প্রতি রবি ও বুধবার হাট বসে, তবে কোরবানির ১০ থেকে ১৫ দিন আগে থেকেই প্রতিদিন বেচাকেনা বাড়তে শুরু করে।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এবার জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ১৯৬টি পশু। এর মধ্যে গরু ও মহিষ মিলিয়ে রয়েছে প্রায় ১ লাখের বেশি পশু এবং ছাগল রয়েছে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৭৫৩টি। এছাড়া মহিষের সংখ্যা প্রায় ৮৩ হাজার।

তবে খামারিরা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। একই সঙ্গে তারা অবৈধভাবে ভারতীয় গরু প্রবেশ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, যাতে স্থানীয় বাজারে দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ