১১ বছরের ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: মাদ্রাসা শিক্ষকের ডিএনএ সংরক্ষণের নির্দেশ
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তদন্তের স্বার্থে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১০ মে) দুপুরে মদন আমলি আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মোহসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) সোহরাওয়ার্দী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আক্তারুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করেন। পরে তাকে কারাগারে আটক রাখা এবং সিআইডির মাধ্যমে ডিএনএ সংরক্ষণের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আক্তারুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগী শিশুটি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। তবে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আমান উল্লাহ সাগর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এরপরও তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
পুলিশ জানায়, মদন উপজেলার হযরত ফাতেমাতুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের মাদ্রাসার এক ১১ বছরের ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে