না ফেরার দেশে চলে গেলেন কিংবদন্তি ডলি পার্টন
ক্যান্সারের সঙ্গে স্বল্প সময়ের লড়াইয়ের পর আশি বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন মার্কিন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ডলি পার্টন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তাঁর পরিচালনা দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছেন বিশ্বসঙ্গীত ও বিনোদন জগতের শীর্ষ তারকারা। পপতারকা টেলর সুইফট ডলি পার্টনকে স্মরণ করে বলেন, ‘পথচলার প্রতিটি পদক্ষেপে আমি আপনাকে মনে রাখব।’
এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পীকে তাঁর ‘উত্তর তারকা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন সঙ্গীতশিল্পী বিয়ন্সে। অন্যদিকে, স্যার পল ম্যাককার্টনি বলেন, তাঁকে (ডলি পার্টন) ছাড়া একটি পৃথিবী কল্পনা করা কঠিন।
সংগীতশিল্পী ডলি পার্টনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ওপরা উইনফ্রি বলেন, ডলি পার্টন এসেছিলেন বলেই পৃথিবীটা আরও সুন্দর হয়েছিল।
ডলি পার্টনের প্রয়াণের পর তাঁর ভক্তরা কান্ট্রি মিউজিক হল অব ফেমে রাখা ডলির স্মারক তারকার ওপর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পাশাপাশি তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নিউ ইয়র্কের ঐতিহ্যবাহী এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং গোলাপি আলোয় আলোকিত করা হয়।
এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করা ডলি পার্টন অত্যন্ত সাধারণ জীবন থেকে উঠে এসে কান্ট্রি মিউজিকের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। ছয় দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে বিশ্বজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি রেকর্ড বিক্রি করেছেন এবং ৩ হাজারেরও বেশি গান রচনা করেছেন তিনি , যা বিশ্ব সঙ্গীতে এক অবিস্মরণীয় ছাপ রেখে গেছে।
সঙ্গীতের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের জন্য ডলি পার্টন সর্বমহলে অত্যন্ত সমাদৃত ছিলেন। বিশেষ করে শিশু সাক্ষরতা ও শিক্ষার প্রসারে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান সর্বজনবিদিত।
তাঁর মৃত্যুতে বিশ্ব এমন একজন মহান শিল্পীকে হারালো, যাঁর সুর, ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব ও মানবিক কার্যক্রম মিউজিকের সীমানা ছাড়িয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছিল।
মতামত দিন