অন্যকে দিয়ে লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা দিতে এসে আটক যুবক
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখায় অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় নিজের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে লিখিত পরীক্ষা দেওয়ানোর অভিযোগে জহিরুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে তিনি ধরা পড়েন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে তাকে আটক করা হয়। জহিরুল ইসলাম পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল এলাকার আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাণিজ্য ভবনে জেলা রাজস্ব প্রশাসনের ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০টি শূন্য পদের বিপরীতে এতে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ প্রার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৫৯ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং পরদিন তাদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।
মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার সময় জহিরুলের হাতের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতায় থাকা হাতের লেখার অসঙ্গতি দেখতে পান কর্মকর্তারা। পাশাপাশি ভাইভা বোর্ডের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি সন্তোষজনকভাবে উত্তর দিতে না পারায় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে একপর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় তার পরিবর্তে অন্য একজন অংশ নিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে জহিরুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় তার হয়ে অন্য একজন পরীক্ষা দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মতামত দিন