কুমিল্লায় যুবদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্প কমান্ডারকে প্রত্যাহার
কুমিল্লায় যুবদল নেতা তৌহিদুল ইসলামকে (৪৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, গত ৩১ জানুয়ারি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তৌহিদুর রহমানকে আটক করা হয়। একই দিন তৌহিদুর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক উল্লেখ করে বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, ঘটনাটি তদন্তে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেনা ক্যাম্পের ‘ক্যাম্প কমান্ডার’কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, তৌহিদুলের মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনের জন্য একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে কুমিল্লায় যৌথ বাহিনী তুলে নেয়ার পর হাসপাতালে তৌহিদুল ইসলামের লাশ পেয়েছে তার পরিবার। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তবে কখন তার মৃত্যু হয়েছে সে তথ্য জানা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে যুবদল নেতার মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছেন তার ভাই আবুল কালাম ও স্থানীয় সাইফুল ইসলাম।
তৌহিদুল ইসলাম কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের পাঁচথুবী গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন।
তবে তৌহিদুল হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত (শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা) কোন মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে