জরুরি ভিত্তিতে ৮ কার্গো এলএনজি ও ৫ হাজার টন এলপিজি আমদানির অনুমোদন
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জরুরি ভিত্তিতে আট কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং পাঁচ হাজার টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরাসরি কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল, অস্ট্রেলিয়ার গ্লোবাল ফুয়েল সাপ্লাইস, মালয়েশিয়ার প্লেন্টিটিউড এনার্জি এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল—এই চার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দুটি করে মোট আট কার্গো এলএনজি কেনা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে এলপিজির সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে স্পিড মার্কেটিং করপোরেশনের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টন এলপিজি আমদানি করা হবে।
বৈঠকে সরকারি অর্থায়নে বিআরটিসির জন্য ২০০টি বৈদ্যুতিক বাস কেনারও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় বাসের পাশাপাশি চার্জিং স্টেশন ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে নির্মাণ করা হবে।
এ ছাড়া সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ১৭টি ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানি, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহ, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূল্য সমন্বয় এবং এলেঙ্গা–হাটিকুমরুল–রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প রয়েছে।
তবে সমতল অঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) ২০২৬’ এবং দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি এলএনজি আমদানিসংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাব বৈঠকের আগে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রত্যাহার করে নেয়।
মতামত দিন