চারটি মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সেবা ডিজিটাইজড করার নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চারটি মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবা ডিজিটাইজড করার নির্দেশ দিয়েছেন।
নির্দেশিত মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: ভূমি, এনবিআর, বাণিজ্য এবং বিআরটিএ।
শনিবার, প্রধান উপদেষ্টা নিজস্ব বিশেষ কর্মকর্তা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি অভ্যন্তরীণ কর্মপদ্ধতি স্বচালিত করার পাশাপাশি শতভাগ ইলেকট্রনিক ফাইল ব্যবহার এবং সম্পূর্ণ এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেন। এর সঙ্গে একটি ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবস্থা চালু করার কথাও উল্লেখ করেন।
ডিজিটাল সেবার প্রাপ্যতা সহজ করতে, অধ্যাপক ইউনূস মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ডেটার আন্তঃক্রিয়াশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি জানান, ডেটা এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি ফর্ম পূরণের পরিবর্তে সিকিউর এপিআইয়ের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, "বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়গুলো নিজস্ব ডিজিটাল সিস্টেম তৈরি করে সাইলো তৈরি করেছে। এই অবস্থায় সরকারের জরুরি দায়িত্ব হলো, সাইলোগুলোর মধ্যে আন্তঃক্রিয়াশীলতা নিশ্চিত করা।"
প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে যেকোনো মূল্যে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই ডিজিটালাইজেশন বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলেও জানান ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টা শনিবার রাতে (৮ মার্চ) তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে নির্দেশনা শেয়ার করেছেন, যেখানে অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো স্বচালিত করার পরিকল্পনা, ১০০% ইলেকট্রনিক ফাইল ব্যবহার নিশ্চিত করা, পূর্ণ ইআরপি বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিষয় বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি সেবা প্রদানকে সহজতর করার জন্য ডেটার আন্তঃক্রিয়াশীলতার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন এবং ম্যানুয়াল প্রক্রিয়াগুলির পরিবর্তে সিকিউর এপিআই ভিত্তিক ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থাপনা করার কথা উল্লেখ করেছেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে