বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে আগুন দেয়া বর্বরতার চরম উদাহরণ: কাদের সিদ্দিকী
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ধানমন্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধু জাদুঘর আগুনে পোড়ানো বর্বরতার চরম একটি উদাহরণ।
তিনি সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘যেভাবে হুলাগু খান আর চেঙ্গিস খান মিশরীয় সভ্যতা ধ্বংস করতে আগুন লাগিয়েছিল, বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে আগুন লাগানোর ঘটনাও তেমনই বড় অন্যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রায়ই ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করি। যেই ক্ষমতায় আসে, তারা নিজেদের ইতিহাসের নায়ক হিসেবে তুলে ধরতে চায়। কিন্তু তা সত্য নয়। আমি একটি কথাই বলব- স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করতে হবে, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে হবে, শহীদদের মর্যাদা দিতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকে স্বীকার করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে নির্বাচনী রায়ের প্রত্যাখ্যান থেকে। এই দেশের মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশ গড়েছে, কিন্তু সেই অধিকার বারবার উপেক্ষা করা হয়েছে। ১৯৭৪ সালের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনগুলো জনগণের অসন্তোষের প্রতিফলন। যদি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে এমন নির্বাচন দ্রুত না হয়, তবে অসন্তোষ আরও বাড়বে।’
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা একবারই আসে। যেমন জন্মের পরে মৃত্যু আসে, তেমনই স্বাধীনতার সাথেও কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকে। তবে বড় অর্জনের মধ্য দিয়ে বারবার বিজয় অর্জন করা সম্ভব। ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে জাতি একটি ঐতিহাসিক বিজয় প্রত্যক্ষ করেছে। এই দেশ জনগণের, কিন্তু এটি কখনো তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী পরিচালিত হয়নি। এর ফলে জনমনে অসন্তোষ বেড়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সফল হয়েছে।’

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে