বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি: দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়ালের বিশ্লেষণ
১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে এবং দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্যালটে থাকবে না আওয়ামী লীগ।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। এই অভ্যুত্থান শুধু শাসক পরিবর্তন করেনি, বরং দেশের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মানচিত্রই বদলে দিয়েছে।
জরিপ বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস
ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট থেকে শুরু করে ইনোভিশন কনসাল্টিং পর্যন্ত সাতটি প্রধান জাতীয় জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়াল পূর্বাভাস দিয়েছে যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কার্যকর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে যাচ্ছে। তবে ভোটের ব্যবধান এবং অনিশ্চয়তা অনেকের ধারণার তুলনায় অনেক বেশি।
এই বিশ্লেষণে তুলে ধরা হয়েছে জরিপগুলোর তথ্য কী প্রকাশ করছে, কী গোপন রাখছে এবং বাংলাদেশের 'ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট' (এফপিটিপি) নির্বাচনী ব্যবস্থা কীভাবে সামান্য ভোটের ব্যবধানকেও আসনের বিশাল ব্যবধানে রূপান্তরিত করবে। এফপিটিপি এমন একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা, যেখানে যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পান, তিনিই জয়ী হন, ভোটের ব্যবধান যা-ই হোক না কেন।
জরিপ ও তথ্যের ব্যবধান
হাসিনা সরকারের পতনের পরবর্তী সময়ে পরিচালিত প্রতিটি জরিপেই জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে বিএনপিকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে এই ব্যবধানের মাত্রা বিভিন্ন জরিপে ভিন্ন ভিন্ন। উদাহরণস্বরূপ, ন্যারেটিভ/আইআইএলডির জরিপে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ১.১ শতাংশ, আবার ইনোভিশনের সর্বশেষ প্যানেল স্টাডিতে বিএনপি ২১.৮ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে।
জরিপের এই ভিন্নতা কোনো এলোমেলো বিষয় নয়। এটি মূলত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতির ফলাফল। ২৯৫টি আসনের ২২,১৭৪ জন উত্তরদাতার ওপর পরিচালিত ন্যারেটিভ কনসোর্টিয়ামের জরিপ একটি নির্দিষ্ট সময়ের চিত্র তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, ইনোভিশন পূর্বে সাক্ষাৎকার নেওয়া ৫,১৪৭ জনের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করেছে। ফলে সময়ের সাথে জনমতের প্রকৃত পরিবর্তন বোঝার ক্ষেত্রে এটি ছিল একমাত্র নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক
এই নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আওয়ামী লীগের ভোট। দলটি নিয়মিতভাবে মোট ভোটের ৩৫ থেকে ৪৮ শতাংশ পেয়ে আসছিল। বর্তমানে দলটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় প্রায় ৪ কোটি ভোটারকে নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। সিআরএফ/বিইপিওএস জরিপ অনুযায়ী, এই ভোটারদের প্রায় অর্ধেকই বিএনপির দিকে ঝুঁকছে। রাজনৈতিক শক্তির এই বিশাল কাঠামোগত স্থানান্তরই বিএনপিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দিতে পারে।
তবে জামায়াতও এই ভোটব্যাংকের দ্বিতীয় সুবিধাভোগী। আওয়ামী লীগকে আগে যারা ভোট দিতেন, তাদের প্রায় ৩০ শতাংশ জানিয়েছেন যে তারা একটি ইসলামপন্থী দলকে ভোট দেবেন। এই ইসলামপন্থী দলটিকে শেখ হাসিনার সময়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং তাদের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি দেওয়া ও গুম করা হয়েছিল।
ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান এর দুটি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। প্রথমত, স্থানীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের প্রতি বিএনপির কঠোর আচরণের কারণে তারা জামায়াতকে 'মন্দের ভালো' হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, কিছু আওয়ামী ভোটার সম্ভবত জামায়াতকে বেছে নিচ্ছেন হাসিনার সেই দাবিকে প্রমাণ করতে যে তিনি ছাড়া বাংলাদেশ একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
এফপিটিপি নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রভাব
বাংলাদেশের ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট (এফপিটিপি) নির্বাচনী ব্যবস্থা বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারসাম্যহীন ব্যবস্থা। এখানে ৩০০টি একক নির্বাচনী এলাকায় যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পান, তিনিই জয়ী হন। এই ব্যবস্থা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা দলকে কঠোরভাবে 'শাস্তি' দেয় এবং সুনির্দিষ্ট এলাকায় কেন্দ্রীভূত সমর্থনের তুলনায় দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমর্থনকে বেশি পুরস্কৃত করে।
২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য এর প্রভাব হবে অত্যন্ত প্রকট। ন্যারেটিভ জরিপের দাবি অনুযায়ী, যদি জাতীয়ভাবে জামায়াত বিএনপির চেয়ে মাত্র ৩-৫ শতাংশ ভোটে পিছিয়েও থাকে, তবুও নির্বাচনী ব্যবস্থার কারণে আসনের ব্যবধান ৬০ থেকে ১০০ পর্যন্ত হতে পারে। জামায়াতের ভোট মূলত উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নির্দিষ্ট ঘাঁটিতে কেন্দ্রীভূত। অন্যদিকে, বিএনপির সমর্থন সারা দেশে সুষমভাবে ছড়িয়ে আছে, যা এফপিটিপি নির্বাচনী ব্যবস্থায় আসন জয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা।
জামায়াত কখনো সংসদে ১৮টির বেশি আসন পায়নি এবং তাদের ভোটের হার ১২ শতাংশ অতিক্রম করেনি। তাই বর্তমান জরিপগুলোতে তাদের ২৯-৩৪ শতাংশ সমর্থনের যে দাবি করা হচ্ছে, তা একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর অর্থ হলো, হয় বাংলাদেশে কোনো প্রকৃত 'রাজনৈতিক ভূমিকম্প' ঘটছে অথবা কিছু জরিপে জামায়াতের সমর্থনকে বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে।
ফলাফল নির্ধারণ করবে যে তিনটি সমীকরণ
১. বিদ্রোহী প্রার্থী
বর্তমানে বিএনপির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল। দলের মনোনয়ন না পেয়ে ৯২ জন নেতা ৭৯টি নির্বাচনী এলাকায় স্বতন্ত্র বা 'বিদ্রোহী' প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সাবেক সংসদ সদস্য বা জেলা পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতা।
অন্তত ৪৬টি আসনে এই বিদ্রোহীদের শক্তিশালী নিজস্ব ভোটব্যাংক রয়েছে। নির্বাচনী পাটিগণিত খুবই সহজ—যেখানে লড়াই শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে, সেখানে বিএনপি অনায়াসে জিতবে। কিন্তু যেখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ভোট ভাগ করবেন, সেখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সুযোগে মাত্র ৩৫ শতাংশ ভোট পেলেই জামায়াত জয়ী হতে পারে। গাণিতিক মডেল বলছে, এই বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে বিএনপি ১৫ থেকে ৩০টি আসন হারাতে পারে।
২. তরুণ ভোটারের উপস্থিতি
জামায়াতের ছাত্রসংগঠন দেশের প্রধান চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। প্রথমবার ভোট দেবেন এমন তরুণদের মধ্যে ৩৭.৪ শতাংশের পছন্দ জামায়াত। বর্তমানে মোট ভোটারের ৪৪ শতাংশই জেন-জি বা তরুণ প্রজন্ম, সংখ্যায় যা প্রায় ৫ কোটি ৬০ লাখ।
যদি তরুণদের ভোট দেওয়ার হার জাতীয় গড়ের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি হয়, তবে জামায়াতের আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। আর এই তরুণ ভোটাররা যদি ভোটকেন্দ্রে না আসেন, তবে দলটির আসনসংখ্যা বড় ব্যবধানে কমে যাবে।
৩. অনিশ্চিত বা দোদুল্যমান ভোটার
প্রতিটি জরিপেই দেখা গেছে, ১৫ থেকে ৩৫ শতাংশ উত্তরদাতা এখনও সিদ্ধান্ত নেননি কিংবা তাদের পছন্দের কথা প্রকাশ করতে রাজি হননি। ন্যারেটিভের জরিপে ১৭ শতাংশ ভোটার এখনও দোদুল্যমান। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন যে তারা কোনো রাজনৈতিক দলকে বিশ্বাস করেন না।
এই ভোটাররাই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা। তারা যদি সব দলের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হয়ে যান, তবে বিএনপির বর্তমান লিড বজায় থাকবে। কিন্তু তারা যদি ২:১ অনুপাতে জামায়াতের দিকে ঝুঁকে পড়েন, তবে ভোটের লড়াই নাটকীয়ভাবে তীব্র হয়ে উঠবে।
আসন পূর্বাভাস
সংসদের মোট আসন: ৩০০
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ১৫১
সম্ভাব্য আসন বিতরণ
বিএনপি ও জোট: ১৫৫–২১৫
জামায়াত ও এনসিপি: ৫৫–১১০
জাতীয় পার্টি: ৫–১৮
ইসলামী আন্দোলন: ২–১০
অন্যান্য/স্বতন্ত্র: ১০–৩৫
এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে ভোটের গড় হার, ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট মডেল এবং বিদ্রোহী প্রার্থী ও ভোটার উপস্থিতির প্রভাব সমন্বয় করে।
সবচেয়ে সম্ভাব্য আসনসংখ্যা (কেন্দ্রীয় প্রাক্কলন)
বিএনপি ও জোট: ১৮৫
জামায়াত ও এনসিপি: ৮০
জাতীয় পার্টি: ১০
ইসলামী আন্দোলন: ৫
অন্যান্য/স্বতন্ত্র: ২০
সম্ভাব্য চারটি পরিস্থিতি
১. বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (সম্ভাবনা ৫০%)
এই সমীকরণে বড় জনসমর্থন নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এখানে মূলত ইনোভিশনের প্যানেল ডেটা বা জরিপের তথ্যের প্রতিফলন ঘটবে। ভোটার উপস্থিতি ৭০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর সৃষ্ট আবেগ দোদুল্যমান ভোটারদের বিএনপির পক্ষে টানবে।
পূর্বাভাস:
বিএনপি: ১৮৫–২১৫ আসন
জামায়াত: ৫৫–৮০ আসন
২. বিএনপির সামান্য ব্যবধানে জয় (সম্ভাবনা ২০%)
বিদ্রোহী প্রার্থী এবং তৃণমূল পর্যায়ে জামায়াতের শক্তিশালী প্রচারের কারণে ৩০ থেকে ৪০ আসনে বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা কমবে। তারা সরকার গঠন করবে ঠিকই, তবে হাতে খুব বেশি বাড়তি আসন থাকবে না। ফলে সরকার পরিচালনায় জোটসঙ্গীদের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।
পূর্বাভাস:
বিএনপি: ১৫৫–১৮৫ আসন
জামায়াত: ৮০–১০০ আসন
৩. ঝুলন্ত সংসদ (সম্ভাবনা ২০%)
যদি ন্যারেটিভ/আইআইএলডির জরিপ সঠিক হয়, তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা এখানে দলটির সর্বোচ্চ ক্ষতি করবেন এবং তরুণ ভোটারদের মধ্যে জামায়াতের জোয়ার বাস্তবে রূপ নেবে। কোনো জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে শুরু হবে জোট গঠনের দর-কষাকষি ও রাজনীতি।
পূর্বাভাস:
বিএনপি: ১৩০–১৫৫ আসন
জামায়াত: ৯০–১১০ আসন
৪. জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের জয় (সম্ভাবনা ১০%)
সবকিছু যদি জামায়াতের অনুকূলে যায়, তবেই এমনটি ঘটা সম্ভব। এক্ষেত্রে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ব্যাপক বাড়বে, ৫০টির বেশি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিএনপির ভোট ব্যাপকভাবে ভাগ করবেন এবং আওয়ামী লীগের সাবেক ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেন না—যদিও এটি ঐতিহাসিকভাবে নজিরবিহীন। তবে এবারের নির্বাচন যেকোনো নজিরবিহীন ঘটনার জন্য প্রস্তুত।
পূর্বাভাস:
বিএনপি: <১৩০ আসন
জামায়াত: ১৩০+ আসন
উপসংহার
দ্য নিউইয়র্ক এডিটোরিয়াল কর্তৃপক্ষের মূল পূর্বাভাস বলছে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি প্রায় ১৮৫টি আসনে জয়ী হয়ে দেশের পরবর্তী সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী তাদের ইতিহাসের সেরা ফলাফল অর্জন করতে পারে। তাদের সম্ভাব্য আসনসংখ্যা হতে পারে ৬০ থেকে ১০০টি। এর মাধ্যমে দলটি নিজেকে দেশের প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে, যা আগামী এক প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রকে নতুন করে বদলে দেবে।
তবে নির্বাচনের গভীর অনিশ্চয়তা কে জিতবে তা নিয়ে নয়, বরং জয়ের ব্যবধান কতটা হবে তা নিয়ে। বিএনপির ২১০-এর বেশি আসনের নিরঙ্কুশ সমর্থন আর ১৫৫ আসনের নড়বড়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার মধ্যবর্তী ব্যবধানটুকুই হলো বিশ্লেষণের প্রকৃত ক্ষেত্র। আর এটি নির্ধারিত হবে মূলত তিনটি নিয়ামকের ওপর, যা কোনো জরিপেই পুরোপুরি ধরা সম্ভব নয়:
১৭ শতাংশ দোদুল্যমান ভোটারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
বিএনপির ৯২ জন বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রভাব
জামায়াতের একনিষ্ঠ তরুণ ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত হন কি না
বাংলাদেশের ১২ কোটি ৮০ লাখ ভোটার এমন এক রায় দিতে যাচ্ছেন, যা আগামী এক প্রজন্মের জন্য দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিকে প্রভাবিত করবে। তথ্য-উপাত্ত বলছে, পাল্লা বিএনপির দিকেই ভারী। তবে এই তথ্য-উপাত্ত একই সঙ্গে এও বলছে—যেকোনো অভাবনীয় পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকুন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে