Views Bangladesh Logo

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ড: সাবেক পরিচালকসহ তিনজনকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে আবারও আলোচনায় দেশের ক্রিকেট। ২০২৬ সালের বিপিএলে ফিক্সিং ও দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অভিযুক্তদের মধ্যে বিসিবির সাবেক এক পরিচালকও রয়েছেন।

বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁরা হলেন বিসিবির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান শামীম, সাবেক নিরাপত্তা বিষয়ক লিয়াজোঁ কর্মকর্তা জাকির হোসেন এবং অডিট কমিটির সাবেক সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম সানি। তিনজনের বিরুদ্ধেই আইসিসির ২০২৪ সালের দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।

বিসিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল বা খেলার বিভিন্ন দিক প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ফিক্সিংয়ে জড়ানো বা এর পরিকল্পনা করা, দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে কাউকে প্ররোচিত করা, এ ধরনের প্রস্তাব পাওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে না জানানো এবং দুর্নীতির প্রমাণ বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা। তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগও রয়েছে।

শামীমের বিরুদ্ধে ২০২৬ বিপিএলের ম্যাচ বা ম্যাচগুলোর ফল, অগ্রগতি কিংবা পরিচালনায় অনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং ফিক্সিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফিক্সিংসংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব বা তথ্য যথাসময়ে দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে না জানানো এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য মুছে ফেলা বা গোপন করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠার পর বিপিএল চলাকালেই বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।

জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা খেলার বিভিন্ন দিক প্রভাবিত করতে ফিক্সিংয়ের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টায় যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে অন্যদের উৎসাহিত করা এবং আইসিসির মনোনীত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও আনা হয়েছে। অন্যদিকে রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রস্তাব বা আমন্ত্রণের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্তে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার আওতায় শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তিনজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য প্রত্যেককে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ