Views Bangladesh Logo

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে সাড়ে ৪ শতাংশ

যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে মন্দার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের রপ্তানিতেও। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪.৫৭ শতাংশ কমেছে। তবে সামগ্রিক বাজার যে হারে সংকুচিত হয়েছে, তার চেয়ে কম হারে কমেছে বাংলাদেশের রপ্তানি।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলের (ওটেক্সা) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এ চিত্র উঠে এসেছে। এতে দেখা যায়, নয় মাসে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ৬১৪ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে এর অঙ্ক ছিল ৬৪২ কোটি ডলার। রপ্তানির পরিমাণ কমেছে ৩.৬৫ শতাংশ।

একই সময়ে বিশ্বের সব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি ডলারে, যা আগের বছরের চেয়ে ৬.১৪ শতাংশ কম। আমদানির পরিমাণ কমেছে ৮.১০ শতাংশ। তবে গড় একক মূল্য উল্টো বেড়েছে ২.১৪ শতাংশ।

বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের জায়গা এখানেই। বিশ্ববাজারে গড় দাম বাড়লেও বাংলাদেশি পোশাকের গড় একক মূল্য কমেছে ০.৯৫ শতাংশ। ওটেক্সার হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশি পোশাকের গড় দাম মার্কিন বাজারের সামগ্রিক গড়ের চেয়ে প্রায় ৩.৫ শতাংশ কম। গত বছর এই ব্যবধান প্রায় ছিলই না। তালিকাভুক্ত সাতটি এশীয় সরবরাহকারী দেশের মধ্যে পাঁচটির দামই কমেছে। সবচেয়ে বেশি কমেছে চীনের, ৭.৬৬ শতাংশ। ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পোশাকের গড় দাম বেড়েছে।

মাসভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশের রপ্তানিতে অস্থিরতা স্পষ্ট। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১১.১৫ শতাংশ বাড়লেও সেপ্টেম্বরে তা ৫.৫৭ শতাংশ কমে গেছে। সার্বিকভাবে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা গত বছরের ১০.৯৯ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ১০.৮৩ শতাংশ হয়েছে।

প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত ও পাকিস্তানের রপ্তানি কমেছে। ভারতের কমেছে ২৫.১৯ শতাংশ, চীনের ২৩.০৮ শতাংশ ও পাকিস্তানের ৩.৬৭ শতাংশ। অন্যদিকে কম্বোডিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ৬.৪২ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ২.৮১ শতাংশ ও ভিয়েতনামের ০.২৬ শতাংশ।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ