Views Bangladesh Logo

বাংলাদেশের অগ্রগতি সত্যিই অসাধারণ: যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি

 VB  Desk

ভিবি ডেস্ক

কটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে তা সত্যিই অসাধারণ বলে মন্তব্য করেছন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি আফরিন আক্তার। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসাও করেন তিনি।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস বিজয় দিবস উদযাপন করে। এ সময় দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি।

বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি। তিনি বলেন, এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য যে গত ৫২ বছরে বাংলাদেশ লাখ লাখ মানুষকে দরিদ্র্যতা থেকে বের করে এনেছে।

এ সময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ সফরে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে শক্তি, উদ্যম এবং দৃঢ়তা দেখেছেন বলেও মন্তব্য করেন আফরিন আক্তার। তিনি বলেন, যেসব গুণ বাংলাদেশকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে সেগুলোই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এদিকে, দূতাবাসের দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ। এ ছাড়াও এ সময় অভ্যর্থনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান তার স্বাগত বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। গত ১৫ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে তা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের বিষয়ে কথা বলার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক অংশে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও তাদের স্ত্রী এবং কর্মচারীরা দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। এ ছাড়াও মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকার বাংলাদেশি শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গানের সাথে দলগত নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, মার্কিন সরকারের কর্মকর্তা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। 

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ