নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে আজ নারী এশিয়ান কাপে মাঠে নামছে বাংলাদেশ
নারী এশিয়ান কাপে কোয়ালিফাই করে ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়েছে লাল-সবুজের খেলোয়াড়রা। আজ মঙ্গলবার সেই ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করার পর ২১তম এএফসি নারী এশিয়ান কাপে এবারই প্রথম অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। নিজেদের অভিষেক ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীন দলের সঙ্গে।
ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ৩০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে। ‘বি’ গ্রুপের এই লড়াই বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় শুরু হবে। ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস, পাশাপাশি অনলাইনে দেখার সুযোগ থাকবে ট্যাপম্যাডে।
ফিফা নারী বিশ্ব র্যাঙ্কিং অনুযায়ী চীন বর্তমানে ১৭তম স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, ১১২তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের জন্য এটি কঠিন পরীক্ষা। নয়বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ১৯৯৯ বিশ্বকাপের ফাইনালেও খেলেছে। তাই অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যের দিক থেকে চীনের দল এগিয়ে।
চার দশকের বেশি সময় পর এশিয়ার মূল ফুটবল মঞ্চে আবারও উড়ছে বাংলাদেশের পতাকা। তবে এবার পুরোনো নায়করাই নয়, নতুন প্রজন্মের নারী খেলোয়াড়রা ইতিহাস তৈরি করতে নামছেন। এটি দেশের নারী ফুটবলের দীর্ঘ যাত্রার গৌরবময় স্বীকৃতি।
১৯৮০ সালে এশিয়ান কাপে পুরুষ দল অংশ নেওয়ার পর এত দীর্ঘ বিরতির পর এবার মহাদেশীয় আসরে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের মঞ্চ পেলেন নারী ফুটবলাররা। ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সাফল্য দলের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে এশিয়ার পরাশক্তি চীন, একই গ্রুপে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দল লক্ষ্য স্থির রেখেছে– প্রতিটি ম্যাচে লড়াই, বিশেষ করে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পয়েন্ট অর্জন।
সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেছেন, আমাদের চেষ্টা থাকবে আমরা অবশ্যই ভালো কিছু করব। প্রতিপক্ষ চীন, উত্তর কোরিয়া, উজবেকিস্তান অনেক শক্তিশালী দল। কোচের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা খেলব।
১২ দলের এই আসরে তিনটি গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে সেরা দুই তৃতীয় দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। প্রতিটি ম্যাচই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ফিটনেস, কৌশল এবং মানসিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ বলেছেন কোচিং স্টাফরা। সভাপতি খেলোয়াড়দের বোনাসের আশ্বাসও দিয়েছেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে