জাতিসংঘে স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনে বৈশ্বিক শান্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতিসংঘে যোগদানের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে। তিনি বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতার প্রতি দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের আয়োজনে দেশের ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (২৮ মার্চ) ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫০ জন স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদান রেখে আসছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানও অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও জাতিসংঘ সনদের আলোকে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
স্বাগত বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, ২৬ মার্চ শুধু একটি জাতির জন্মদিন নয়, এটি জনগণের ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা এবং স্বাধীনতার চিরন্তন বিজয়ের প্রতীক।
এর আগে মিশনের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাণী পাঠ করা হয় এবং স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে