Views Bangladesh Logo

বিদেশে বসবাসের সেরা দেশ এস্তোনিয়া, রিলোকেশন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫৪তম

 VB  Desk

ভিবি ডেস্ক

বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস, কাজ কিংবা নতুন জীবন শুরু করার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে উপযোগী দেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা রুমাভি। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিলোকেশন ইনডেক্সে বিশ্বের ১৯২টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে ১৫৪তম।

সম্প্রতি প্রকাশিত এই সূচকে বিভিন্ন দেশের জীবনযাত্রার মান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, করব্যবস্থা, ব্যবসার পরিবেশ, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন, নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগসহ মোট ২৪টি সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭২ দশমিক ৮ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে এস্তোনিয়া। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, যার স্কোর ৭২ দশমিক ৬। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া, তাদের স্কোর ৭২ দশমিক ০। শীর্ষ দশে থাকা অন্য দেশগুলো হলো পর্তুগাল, তাইওয়ান, লিথুয়ানিয়া, হংকং, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, চেকিয়া এবং মাল্টা। বাংলাদেশ ৫৪ দশমিক ২ স্কোর নিয়ে ১৫৪তম অবস্থানে রয়েছে। একই তালিকায় প্রতিবেশী ভারত ৬০ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে ১০০তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে।

প্রতিবেদনে ভারতের শক্তি ও দুর্বলতা নিয়েও আলাদা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তুলনামূলক কম জীবনযাত্রার ব্যয়, সাশ্রয়ী আবাসন এবং দ্রুত সম্প্রসারণশীল স্টার্টআপ খাত ভারতের ইতিবাচক দিক। তবে ব্যবসার পরিবেশ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের সক্ষমতা এবং বায়ুদূষণের মতো সমস্যার কারণে দেশটি কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। ভারতের জন্য পৃথক বিভাগভিত্তিক মূল্যায়নেও র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের জন্য দেশটির অবস্থান ৮৭তম, পরিবার নিয়ে বসবাসের ক্ষেত্রে ১০২তম, অবসরজীবনের জন্য ১১৩তম এবং কর-সুবিধার দিক থেকে ১২৬তম।

রুমাভি জানিয়েছে, সূচকটি তৈরিতে ২৪টি সূচককে চারটি প্রধান স্তম্ভে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো আর্থিক ও করব্যবস্থা, জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা এবং বসবাস ও সুযোগ। এরপর সাধারণ বাসিন্দা, পরিবার, উদ্যোক্তা, ডিজিটাল নোম্যাড, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং কর-সুবিধা প্রত্যাশীদের চাহিদা অনুযায়ী পৃথক ওজন দিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করার সময় শুধু উচ্চ আয় বা কম করের বিষয় বিবেচনা করলেই যথেষ্ট নয়। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার মান, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের উপযোগিতার মতো বিষয়ও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ