Views Bangladesh Logo

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কাঠামোয় সর্বনিম্ন স্তরে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেকশন ৩০১ শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কের স্তরে রাখা হয়েছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী কয়েকটি দেশের তুলনায় তুলনামূলকভাবে অনুকূল অবস্থান তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, যুক্তরাষ্ট্র ২৩ জুলাই ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১ অনুযায়ী ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির ওপর নতুন শুল্ক ঘোষণা করে। জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে তদন্তের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন শুল্ক ওয়াশিংটন সময় ২৪ জুলাই রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া সব পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট-ফেভার্ড-নেশন শুল্কের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ৮৬টি দেশের মধ্যে ১৭টি দেশ এই সর্বনিম্ন শুল্কস্তরে রয়েছে।

সরকারের মতে, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের ওপর ১২.৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক নির্ধারণ করায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছরের ট্যারিফ-রেট কোটার বিষয়টি বিবেচনা করছে। যদি যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি পোশাক ও অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে সেকশন ৩০১-এর অতিরিক্ত শুল্ক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও প্রতিযোগিতামূলক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবে কতটা কাজে লাগবে, তা নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত নীতিমালা, ট্যারিফ-রেট কোটার কাঠামো এবং বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের সেই সুবিধা ব্যবহারের সক্ষমতার ওপর।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ