বাংলাদেশ-জাপান পিপিপি প্ল্যাটফর্মে নতুন অবকাঠামো প্রকল্পে সম্মতি
বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্ল্যাটফর্মের অষ্টম সভায় আঞ্চলিক যোগাযোগ উন্নয়ন ও টেকসই বিনিয়োগ বাড়াতে বেশ কয়েকটি নতুন অবকাঠামো প্রকল্প গ্রহণ এবং চলমান গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
সভায় পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি এবং দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বৈঠকে কমলাপুর মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩-এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, আউটার রিং রোড এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের স্থানীয় সেতু উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে কমলাপুর ট্রান্সপোর্ট হাবের সংশোধিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন এবং টার্মিনাল-৩-এর বাকি চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করে পিপিপি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু এবং বরিশাল-ভোলা সেতু প্রকল্পকে নতুন করে পিপিপি প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ‘বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ’ উৎপাদন প্রকল্প, ভোলা-লক্ষ্মীপুর সেতু নির্মাণ এবং জাপানের কারিগরি সহায়তায় পুরোনো রেলওয়ে সেতু পুনর্নবীকরণের প্রস্তাবও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ-জাপান পিপিপি অংশীদারত্ব এখন একটি নির্ভরযোগ্য সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা দেশে মানসম্মত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, পিপিপি প্ল্যাটফর্মের আওতায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সফলভাবে বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মতামত দিন