উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিশেষ অবস্থানে বাংলাদেশ : ভারতীয় হাইকমিশনার
আইটিইসি উদযাপনে ভারতের ঘনিষ্ঠ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।
মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ঢাকায় ঢাকায় ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (আইটেক) দিবস- ২০২৩ উৎযাপনকালে এসব কথা বলেন ভার্মা।
ভারতীয় হাইকমিশন এবং ঢাকা আইটেক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএএবি) এ দিবস উপলক্ষ্যে সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ভারতীয় হাই কমিশনারের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
এসময় প্রণয় কুমার ভার্মা আরও বলেন, “সুবর্ণ জয়ন্তী স্কলারশিপের অধীনে প্রতি বছর আইটেক-এ বাংলাদেশের জন্য নিবেদিত ৫০০টি স্লট রয়েছে, এবং সরকারি কর্মচারী ও বেসরকারি এন্টারপ্রাইজসমূহের জন্য বেশ কিছু চাহিদাভিত্তিক কর্মসূচি আছে যা বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো হয়ে থাকে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের আইটেক অ্যালামনাইগণ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধনকে প্রদর্শন করে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরাসহ সর্বস্তরের প্রায় ১৮০ জন আইটেক অ্যালামনাই উপস্থিত ছিলেন। কয়েকজন আইটেক অ্যালামনাই অংশগ্রহণকারীদের সামনে তাদের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। একটি ছোট সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
উল্লেখ্য, ভারত সরকারের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম আইটেক দেশটির উন্নয়ন সহায়ক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশে ভারতের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সুবিধা প্রদান করছে। প্রতি বছর, কৃষি, হিসাব, নিরীক্ষা, সুশাসন অনুশীলন, ব্যবস্থাপনা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, গ্রামীণ উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য, সংসদীয় বিষয়, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, আইটি, ডেটা অ্যানালিটিক্স, রিমোট সেন্সিং, নবায়নযোগ্য শক্তি ইত্যাদির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রথম সারির ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কোর্সের জন্য আইটেক অংশীদার দেশসমূহকে ১০ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণ স্লট দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত, ৫ হাজারেরও বেশি তরুণ বাংলাদেশি আইটেক কর্মসূচিসমূহের অধীনে ভারতে এই ধরনের কোর্স করেছেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে