সিরিজ রক্ষার ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ১৯৭ রানের লক্ষ্য
চট্টগ্রামে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে সিরিজে টিকে থাকতে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য করতে হবে ১৯৭ রান।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই আক্রমণাত্মক ছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। জশ ইংলিসকে এলবিডব্লিউ করে নিজের ৫০তম টি-টোয়েন্টিতে ৫০তম উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন নাসুম আহমেদ। পরে কুপার কনোলিকে ফেরান অভিষেকের পর দেশের মাটিতে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা নাহিদ রানা। স্লিপে সাইফ হাসানের দুর্দান্ত ডাইভিং ক্যাচ ছিল সেই উইকেটের অন্যতম আকর্ষণ।
পাওয়ার প্লের শেষ দিকে মুস্তাফিজুর রহমানের কাটারে মিচেল মার্শ আউট হলে ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তবে এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। পঞ্চম উইকেটে তারা মাত্র ২৭ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন।
বিশেষ করে আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইনের ওপর চড়াও হন ডেভিড। তার এক ওভার থেকে দুটি ছক্কা ও একটি চারসহ ১৯ রান তুলে নেন এই হার্ডহিটার। অন্যদিকে রিশাদ হোসেনের এক ওভারে টানা তিন ছক্কা মেরে মাত্র ২৯ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূর্ণ করেন রেনশ।
অবশেষে ২৬ বলে ৪৫ রান করা টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভাঙেন সাকলাইন। তবে ততক্ষণে অস্ট্রেলিয়া শক্ত ভিত গড়ে ফেলেছে। রেনশ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ইনিংসকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান। শেষ দিকে নিখিল চৌধুরিকেও এলবিডব্লিউ করেন নাসুম আহমেদ।
বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ ২টি উইকেট নেন। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা ও আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন। ফিল্ডিংয়ে সাইফ হাসানের দুটি অসাধারণ ক্যাচ বাংলাদেশের অন্যতম ইতিবাচক দিক ছিল।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে ০-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। সিরিজে সমতা ফেরাতে হলে ব্যাটারদের ১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে জয় তুলে আনতে হবে।
মতামত দিন