ব্যাটে-বলে ব্যর্থ বাংলাদেশ, বড় লিডের পথে জিম্বাবুয়ে
হারারেতে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশকে মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে দিয়ে ব্যাট হাতেও দারুণ শুরু করেছে স্বাগতিকরা। প্রথম দিনের খেলা শেষে ১ উইকেটে ১৩৬ রান তুলে তারা বাংলাদেশের চেয়ে মাত্র ৪ রানে পিছিয়ে আছে। হাতে এখনও ৯ উইকেট।
ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানেই ফিরে যান ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। নিউম্যান নিয়ামহুরির বলে রক্ষণাত্মক শট খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তবে রিপ্লেতে বলটি গ্লাভসে লেগেছিল নাকি শরীরের অন্য কোথাও, তা স্পষ্ট বোঝা যায়নি। সিরিজে ডিআরএস না থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও পাননি জয়। ১৭ বলে মাত্র ২ রান করে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি।
এরপর সাদমান ইসলামকে নিয়ে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন মুমিনুল ইসলাম। সাদমান ২০ রান করে ফিরলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে সঙ্গে নিয়ে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মুমিনুল। এই জুটিতেই কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল বাংলাদেশের শিবিরে।
তবে ৬০ রান করে মুমিনুল আউট হতেই আবার ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। শান্ত ৭৩ বলে ১৯ রান করে ফেরেন। এরপর মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, অমিত হাসানসহ কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। ফলে ১৪০ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন নিউম্যান নিয়ামহুরি। তিনি ৪টি উইকেট নেন। ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স নেন দুটি করে উইকেট।
জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর আধিপত্য দেখান জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান। উদ্বোধনী জুটিতে তারা দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। ৫১ বলে ৪২ রান করে ফিফটির আগেই আউট হন কারান।
এরপর ইনোসেন্ট কাইয়ার সঙ্গে যোগ দেন ব্রেন্ডন টেইলর। দিনের বাকি সময় আর কোনো উইকেট হারায়নি জিম্বাবুয়ে। কাইয়া ১০৮ বলে ৭৬ রানে এবং টেইলর ৪৫ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৬ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে তারা পিছিয়ে মাত্র ৪ রান। হাতে ৯ উইকেট থাকায় দ্বিতীয় দিনে বড় লিড নেওয়ার দারুণ সুযোগ স্বাগতিকদের সামনে।
মতামত দিন